কেন পরবেন না মাস্ক? রাজ্যের মন্ত্রীর সাফ বক্তব্য, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন এটি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত!
দেশের করোনা গ্রাফ রীতিমত ভয় ধরাচ্ছে। ভয়ঙ্কর গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। গবেষকরা বলছেন, এখনও নাকি সংক্রমনের কিছুই হয়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ফের একবার বিপদ বাড়বে বলে দাবি চিকিৎসকদের।
দেশের করোনা গ্রাফ রীতিমত ভয় ধরাচ্ছে। ভয়ঙ্কর গতিতে ছড়াচ্ছে সংক্রমণ। গবেষকরা বলছেন, এখনও নাকি সংক্রমনের কিছুই হয়নি। ফেব্রুয়ারি মাসের মাঝামাঝি সময়ে ফের একবার বিপদ বাড়বে বলে দাবি চিকিৎসকদের।

আর সেখানে দাঁড়িয়ে এখনও বহু মানুষ মাস্ক পড়ছেন না। সাধারণ মানুষকে মাস্ক পড়াতে রীতিমত পুলিশকে লাঠি হাতে ছুটতে হচ্ছে। কার্যত দেশের সবপ্রান্তেই ছবিটা এক।
এমনকি বিভিন্ন সময়ে রাজনেতাদের পর্যন্ত মাস্ক পড়ানো যাচ্ছে না। উল্টে একেবারে কোভিড বিধিকে অমান্য করেই বিভিন্ন জমায়েত করছেন তাঁরা। আর তাতেই বিপদ বাড়ছে বলে মত চিকিৎসকদের। আর এই বিতর্কের মধ্যেই এবার প্রকাশ্যে মাস্ক পড়তে অস্বীকার করলেন মন্ত্রী উমেশ কাট্টি।
কেন তিনি মাস্ক পড়বেন না? সে বিষয়ে মন্ত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন এই বিষয়ে কোনও বাধ্যবাধকতা নেই। এমনকি মাস্ক পড়া আর না পড়াটা সম্পূর্ণ ভাবেই কারুর ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। সুতরাং আমি মনে করি আমার কোনও মাস্ক পড়ার প্রয়োজনীয়তা নেই।
কার্যত খোদ রাজ্যের মন্ত্রীর মুখে এহেন কথা শুনে কার্যত চমকে উঠছেন চিকিৎসকরা। তাঁদের মতে, যদি রাজ্যের মন্ত্রী এমন বলেন তাহলে কীভাবে মানুষকে মাস্ক পড়ানোর কথা বলা যাবে!
উমেশ সে রাজ্যের একজন প্রভাবশালী বিজেপি নেতা। শুধু তাই নয়, কর্নাটক শহরের মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ একটি দফতর তাঁর কাঁধেই রয়েছে। জানা গিয়েছে, খাদ্য, ক্রেতা সুরক্ষা সহ একাধিক দফতর উমেশ সামলান।
উল্লেখ্য, থার্ড ওয়েভ অন্যান্য রাজ্যের মতোই কর্নাটকেও আছড়ে পড়েছে। ব্যাপক ভাবে সে রাজ্যে বাড়ছে সংক্রমণ। সোমবার সে রাজ্যের যে তথ্য সামনে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে ২৭ হাজারেরও বেশি মানুষ ২৪ ঘন্টায় আক্রান্ত হয়েছেন। মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। অ্যাক্টিভ কেস 2,17,297। আর সেখানে দাঁড়িয়ে মন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে তৈরি হয়েছে বিতর্ক।
উল্লেখ্য, অনেকে বলছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও কার্যত মাস্ক পড়া ছেড়ে দিয়েছেন। একাধিক প্রকাশ্য সভা কিংবা অনেক জায়গাতেই মাস্ক ছাড়াই ঘুরে বেড়াচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিরোধীরা মোদীর মাস্ক না পড়া নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তুলেছেন। কিন্তু এরপরেও কার্যত একই ছবি ধরা পড়েছে। আর এই অবস্থায় বিজেপি নেতার মন্তব্যে অনেকটাংশেই মোদীর সঙ্গে মিল পাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।
অন্যদিকে দেশের দৈনিক করোনা ভাইরাসের সংক্রণ গতকালের চেয়ে আরও কমল। দেশের করোনা গ্রাফ নিম্নমুখী। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ২,৩৮,০১৮ জন।
গতকালের চেয়ে ২০,০৭১ জন কম আক্রান্ত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ভাইরাসের সংক্রমণে মারা গিয়েছেন ৩১০ জন। গতকালের চেয়ে মৃতের সংখ্যা অনেকটাই বেড়েছে সুস্থতার সংখ্যাও।












Click it and Unblock the Notifications