পকসো আইনে সম্মতির বয়স পুনর্বিবেচনার করুন! আইন কমিশনকে নির্দেশ হাইকোর্টের
পকসো আইনে দেশের আইন কমিশনকে বাস্তবতা বিবেচনা করতে নির্দেশ দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। এব্যাপারে তারা এই আইনে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত সম্মতির বয়স পুনর্বিবেচনারও নির্দেশ দিয়েছে। এই আইনে এক অভিযুক্তের মুক্তির নির্দেশকে চ্যালেঞ্
পকসো আইনে দেশের আইন কমিশনকে বাস্তবতা বিবেচনা করতে নির্দেশ দিল কর্নাটক হাইকোর্ট। এব্যাপারে তারা এই আইনে যৌন অপরাধ সংক্রান্ত সম্মতির বয়স পুনর্বিবেচনারও নির্দেশ দিয়েছে। এই আইনে এক অভিযুক্তের মুক্তির নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে পুলিশের দায়ের করা আবেগনের ভিত্তিতে শুনানির সময় এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে আদালতের তরফে।

বয়সের মাপকাঠি পুনর্বিবেচনার নির্দেশ
১৭ বছরের নাবালিকা একটি ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। তারপরে তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্কও হয়। সেই সংক্রান্ত বিষয়ে মামলা নিয়ে কর্নাটক হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চের বিচারপতি সুরজ গোবিন্দরাজ এবং ডি বাসভবাজার ডিভিশন বেঞ্চ ভারতের আইন কমিশনকে এব্যাপারে বয়সের মাপকাঠি পুনর্বিবেচান করতে এবং বাস্তবতা বিবেচনা করতে নির্দেশ দিয়েছে।

বাবা-মায়ের অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা
ঘটনাটি ছিল ২০১৭ সালের। ১৭ বছরের এক নাবালিকা একটি ছেলের সঙ্গে পালিয়ে যায়। তার বাবা-মা অভিযোগ দায়ের করলেো সব সাক্ষীই বিরূপ ছিলেন। সেই পরিস্থিতিতে মামলা চলার সময় বিয়ের পরে দুটি সন্তানও হয়ে যায় ওই দুইজনের।

আইন সম্পর্কে সচেতনতার নির্দেশ
কর্নাটক হাইকোর্ট তাদের পর্যবেক্ষণে বলেছে, এব্যাপারে পকসো এবং ভারতীয় দণ্ডবিধি নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। যার জেরেই অপরাধ সংগঠিত হচ্ছে। তবে আইন না জানার কারণে অপরাধ, এমন কোনও অজুহাত খাঁড়া না করেও হাইকোর্টের তরফে কর্নাটকের শিক্ষা দফতরকে পকসো আইন সম্পর্কে সচেতনতার নির্দেশ দিয়েছে। সচেতনতা তৈরি প্রসঙ্গে আদালত বলেছে, বিশেষ করে নবম শ্রেণি থেকে ছাত্রছাত্রীদের পকসো এবং ভারতীয় দণ্ডবিধি নিয়ে সচেতন করা উচিত।
আদালত বলছে, অনেক সময়ই তাদের মনে হয়েছে, নাবালিকা এবং ছেলেটি জ্ঞানের অভাবের কারণেই অপরাধে যুক্ত হয়ে পড়েছে। কেননা দেখা গিয়েছে, জড়িত ছেলে কিংবা মেয়েটি একে অপরকে আগে থেকেই চেনে কিংবা তারা সহপাঠী।

সচেতনতার জন্য কমিটি
হাইকোর্টের নির্দেশের পরেই কর্নাটকের শিক্ষা দফতরের প্রধান সচিব এব্যাপারে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। তারপরেই সরকারি এবং বেসরকারি স্কুলে এব্যাপারে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়। সেখানে বলা হয়, ছাত্রছাত্রীদের পকসো আইন এবং ভারতীয় দণ্ডবিধি লঙ্ঘনের ব্যাপারে শিক্ষা দিতে হবে এবং পরিণতি সম্পর্কেও সচেতন করতে হবে। গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে শিক্ষা দফতরকে রিপোর্ট পেশ করতে বলেছে হাইকোর্ট। এই মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য গয়েছে ৫ ডিসেম্বর।












Click it and Unblock the Notifications