করোনা আতঙ্ক : জ্বর হলেই কর্মীদের 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম' ! রাজ্য সরকারি 'অ্যাডভাইসারি' দেশের কোন অংশে
বিশ্বের প্রথম সারির বিভিন্ন প্রযুক্তি সংস্থা রয়েছে বাগিচা শহর বেঙ্গালুরুতে। তথ্য প্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রি ঘিরে সেখানে কর্মীদের ব্যস্ততাও কম নেই। তবে সদ্য সেখানে করোনা ভাইরাস ঘিরে আতঙ্ক দানা বাঁধতে শুরু করেছে। এক তথ্য প্রযুক্তি কর্মীর দেহে এই ভাইরাসের নমুনা মিলেছে বলে খবর। এরপর কর্ণাটক সরকার সমস্ত সংস্থার প্রতি একটি অ্যাডভাইসারি জারি করেছে।

জ্বর দেখলেই 'ওয়ার্ক ফ্রম হোম'!
কর্ণাটক রাজ্যসরকারের তরফে একটি বিশেষ নির্দেশিকায় বিভিন্ন সংস্থার প্রতি 'অ্যাডভাইসারি' জারি করে বলা হয়েছে, ' যাঁদের মধ্যে জ্বরের উপসম দেখা যাবে,তাঁদের ওয়ার্ক ফ্রম হোম দেওয়ার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ' পরামর্শে সাফ বলা হয়েছে, কর্মীদের হাত যেন স্বাস্থ্য সম্মতভাবে পরিষ্কার থাকে ও কাশির জন্য নির্দিষ্ট পন্থা মেনে চলার বার্তা দেওয়া হয়েছে।

প্রয়োজন না পড়লে ইতালি, জাপানে ভ্রমণ নয়
অ্যাডভাইসারিতে বলা হয়েছে, প্রয়োজন যদি না পড়ে , তাহলে কোনও মতেই যেন কোরিয়া, ইতালি, জাপান , চিন, ইরানে এই রাজ্যের বাসিন্দারা যেন ভ্রমণে না যান। কোভিড ১৯ আক্রান্ত এলাকায় সফর থেকে দূরে থাকতে বলা হয়েছে কর্ণাটকের বাসিন্দাদের।

সংস্থাগুলিতে কী কী রাখা আবশ্যিক
কর্ণাটকের সমস্ত সংস্থায় যাতে 'সার্জিক্যাল মাস্ক' থাকে, তার বন্দোবস্ত করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, পেপার টিস্যুর ব্যবস্থা করতেও বলা হয়েছে সংস্থাগুলিকে। এই ব্যবস্থা তাঁদের জন্য রাখতে হবে, যে সমস্ত কর্মীরা সর্দি, কাশি ও জ্বর নিয়ে অফিসে আসছেন। যেখানে ময়লা ফেলা হয়, সেখানে যেন অবশ্যই ঢাকা দেওয়ার ব্যবস্থা থাকে।

স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা
বিভিন্ন অফিসে যাতে হাত ধোয়ার জন্য সুবন্দোবস্ত থাকে, সেদিকে নজর দিতে বলা হয়েছে কর্ণাটক সরকারের পক্ষ থেকে। এজন্য সাবান ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থার কথাও অ্যাডভাইসারিতে বলা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ২৯ জনে পৌঁছেছে। সন্দেহের নজরে রয়েছে প্রায় ২৯ হাজার মানুষ।












Click it and Unblock the Notifications