কর্নাটক নির্বাচনে ফলাফল ২০২৩: মুখ্যমন্ত্রী পদের দড়ি টানাটানিতে রাজস্থানের ছায়া? কোন পথে হাঁটবে কংগ্রেস
জয়ের পরেও কাঁটা সেই মুখ্যমন্ত্রী পদ। যেমনটা ঘটেছিল মধ্য প্রদেশে। যেমনটা ঘটেছে রাজস্থানে। কর্নাটকও আবার সেই অবস্থানেই দাঁড়িয়ে রয়েছে। কর্নাটকের এই পরিস্থিতি নিয়ে রাজস্থানের সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাজনৈতিক মহল।
সিদ্দারামাইয়া ভার্সেস ডিকে শিবকুমার শেষ পর্যন্ত কি গেহলট বনাম পাইলটের মতোই পরিস্থিতি তৈরি হবে। কারণ নির্বাচনের পর েথকে মুখ্যমন্ত্রী পদে কে বসবেন তা নিয়ে জল ঘোলা হচ্ছে তাতে সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে। মরুরাজ্যের হাওয়া শেষে দক্ষিণের কর্নাটকে গিয়ে লাগবে না তো। প্রমাদ গুণছে রাজনৈকি মহল।

মধ্যপ্রদেশে কংগ্রেসের জয়ের পর যেমনটা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে কমলনাথের বিবাদ তৈরি হয়েছিল। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার জনপ্রিয়তা থাকার পরেও যেভাবে কমলনাথ মুখ্য মন্ত্রী পদে বসিয়ে সমস্যা বাড়িয়েছিলেন সোনিয়াগান্ধীরা সেই ভুল কি কর্নাটকের ক্ষেত্রেও করবেন তিনি। যদিও এখন দলের রাশ খাড়গের হাতে। আবার কর্নাটকের ভূমিপুত্রও তিনি।

রাজস্থানে সামনের বছর ভোট কিন্তু সেখানকার কংগ্রেসের পরিস্থিতি যে একেবারেই ভাল নয় সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। নিজের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে আন্দোলনে বসেছেন ডেপুটি মুখ্যমন্ত্রী। একদিকে মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট তাঁর ডেপুটিকে গদ্দার বলে আক্রমণ করছেন প্রকাশ্যে আবার অন্যদিকে তাঁর জেপুটি সচিন পাইলট মুখ্যমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করছে না অভিযোগ করে অনশন আন্দোলন করেছে।
বালির ভিতের উররে যে রাজস্থানের সরকার দাঁড়িয়ে রয়েছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। সামনের বছর নির্বাচনে কংগ্রেস সেখানে ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে বলে মনে করছে না রাজনৈতিক মহল। অন্যদিকে মধ্য প্রদেশে তো কমলনাথকে মুখ্যমন্ত্রী করার পর বেশিদিন চলেনি সরকার। জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে কমল নাথের বিরোধ চরমে উঠেছিল। শেষ পর্যন্ত ভেঙে যায় সরকার।
কর্নাটকের ক্ষেত্রেও সেই পরিস্থিতিতি তৈরি হবে না তো এই নিয়ে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। ভোটে জেতার থেকেও বড় পরীক্ষা এই মুখ্যমন্ত্রী পদ ঠিত করা। সেকারণে মেপে মেপে পা ফেলছে কংগ্রেস হাইরকমান্ড। নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা পেয়েও এখনও মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঠিক করে উঠতে পারেনি তারা। আজ এই নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications