Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

কর্নাটক নির্বাচনের ফলাফল ২০২৩: বিজেপির উপর ক্ষিপ্ত জনতা জনার্দনেরই জয়, হার মোদীর, বলছে কংগ্রেস

কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে আশাতীত সাফল্য কংগ্রেসের। ৩৮ বছরের ধারা ভেঙে ক্ষমতা দখলে রাখা হলো না বিজেপির। আগামী বছর লোকসভা নির্বাচন। তার আগে দক্ষিণ ভারত বিজেপি-মুক্ত হয়ে গেল। কর্নাটকের জয় কংগ্রেসকে দিল আরও আত্মবিশ্বাস।

কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে কর্নাটকে কংগ্রেসের এই জয়কে জনতা জনার্দনের জয় বলে অভিহিত করেছেন। কংগ্রেস শিবির এই ফলাফলকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পরাজয় হিসেবেই চিহ্নিত করে উৎসবের আবহে মেতে উঠেছে।

মল্লিকার্জুন খাড়গে

খাড়গে বেঙ্গালুরুতে বলেন, দলের সমস্ত জয়ী বিধায়কদের বিকেলের মধ্যেই বেঙ্গালুরুতে আসতে বলা হয়েছে। সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হবে। বেঙ্গালুরুতে এলে কী করণীয় তা জানিয়ে দেওয়া হবে বিধায়কদের। হাইকম্যান্ডের তরফে পর্যবেক্ষকরাও চলে আসবেন। তারপরই সমস্ত প্রক্রিয়া নিয়ম মেনে হবে।

দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরে দেখা গিয়েছে কর্নাটক বিজয় লেখা পোস্টার। দেশের নানা প্রান্তে কংগ্রেসের কর্মীরা মিষ্টিমুখ করছেন, বাদ্যযন্ত্র সহযোগে চলছে আনন্দ-উৎসব, আতসবাজি পোড়ানোর মধ্যে যেন ফিরল অকাল দীপাবলি। খাড়গের কথায়, এটি জনতা জনার্দনের জয়। মানুষ এগিয়ে এসেছেন আমাদের সমর্থন করতে। এতে প্রমাণিত কর্নাটকের ভোটাররা সচেতন।

কংগ্রেস কর্নাটক বিধানসভা

মল্লিকার্জুন খাড়গে আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বহু মন্ত্রী ও বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীরা প্রচার করেছিলেন কর্নাটকে। লোকবল, অর্থবল ও পেশীশক্তির বিরুদ্ধে গিয়েই মানুষ কংগ্রেসের পক্ষে ভোট দিয়েছেন একজোট হয়ে। তাঁরা বিজেপির অপশাসনে ক্ষিপ্ত হয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন।

কর্নাটক কংগ্রেস

মানুষ ভালো কাজকে সমর্থন করেন। জেতা বা হেরে যাওয়া বড় নয়, মানুষের সঙ্গে থেকে গণতান্ত্রিক পরিবেশে কাজ করাই কাম্য বলে উল্লেখ করেছেন খাড়গে। সারা রাজ্যে কংগ্রেস কর্মীরা দলের হয়ে এককাট্টা হয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এবং কংগ্রেসের প্রতিশ্রুতিতে আস্থা রেখেছেন সর্বস্তরের মানুষ। তার ফলেই এই জয় সম্ভব হয়েছে বলে মন্তব্য খাড়গের।

কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক জয়রাম রমেশ টুইটে লেখেন, কংগ্রেস জিতেছে। প্রধানমন্ত্রী হেরেছেন। বিজেপি ভোট চাইতে গিয়েছিল নরেন্দ্র মোদীকে সামনে রেখে। কিন্তু ভোটাররা তা প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বিভাজনের রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছিলেন। কিন্তু কর্নাটকের ভোটের রায় গেল সামাজিক সংহতি ও অর্থনৈতিক বিকাশের পক্ষেই।

কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, জীবন-জীবিকা, খাদ্য সুরক্ষা, মূল্যবৃদ্ধি, কৃষকদের দুরবস্থা, বিদ্যুৎ সরবরাহ, বেকারত্ব, দুর্নীতির বিষয়গুলির মতো স্থানীয় বিষয়গুলিকে জোর দিয়েই প্রচারে নেমেছিল কংগ্রেস। যার সুফল হিসেবে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে ফের মসনদে ফেরা সুনিশ্চিত হলো।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+