Karnataka election 2023: কর্নাটকের কয়েকটি হাইভোল্টেজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা একনজরে
কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচন প্রায় শেষের পথে। ভোটগণনা ১৩ মে শনিবার। সেদিনই কার্যত পরিষ্কার হতে পারে রাজ্যের ক্ষমতা কার হাতে যাচ্ছে। আবার জনাদেশ মিশ্রও হতে পারে। এবারের নির্বাচনে কর্নাটক দেখেছে বেশ কয়েকটি হাইভোল্টেজ প্রতিদ্বন্দ্বিতা।
এবারের হাইভোল্টেজ কেন্দ্রের মধ্যে রয়েছে শিগগাঁও। এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় শামিল হয়েছে কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্বাই। ২০০৮ সাল থেকে তিনি এই আসনে লড়াই করছেন। আগের তিনটি নির্বাচনে তিনি জয়লাভ করেছেন। ২০১৮-তে তিনি এই কেন্দ্র থেকে ৯২৬৫ ভোটে কংগ্রেসের সইদ আজিমপির খাদরিকে পরাজিত করেছিলেন।

এবার এই কেন্দ্রে কংগ্রেস প্রার্থী করেছে স্থানীয় ইয়াসির আহমেদ খান পাঠানকে। কংগ্রেস নেতা ইয়াসির সেরকমভাবে শিরোনামে আসেননি সাম্প্রতিক সময়ে। তবে স্থানীয় কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি এলাকায় জনপ্রিয় ইয়াসির। এবার বোম্বাইয়ের নির্বাচনী এলাকা শিগগাঁওতে প্রচার করেছেন বিজেপি সভাপতি জেপি পি নাড্ডা এবং কন্নড় চিত্র তারকা কিচ্ছা সুদীপ। এবারও এই কেন্দ্রে জয় পাবেন বলে নিশ্চি বোম্বাই।
হুবলি-ধারওয়াদ সেন্ট্রাল আসন থেকে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছেন কংগ্রেসের তরফে জগদীশ শেট্টার। তিনিই এই কেন্দ্রে গত কয়েকবারের শুধু বিজেপি প্রার্থীই ছিলেন না, তিনি রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীও। বিজেপি তাঁকে এবার টিকিট দেবে না নিস্চিত হওয়ার পরে ১৬ এপ্রিল বিজেপি ছাড়েন তিনি। উত্তর কন্নড়ে বিজেপির বৃদ্ধির পিছনে তাঁর অবদান রয়েছে।
এবার নিয়ে জগদীস শেট্টার পরপর সপ্তমবারের জন্য এই কেন্দ্রে দাঁড়ালেন। বিজেপি এবার সেখানে প্রার্থী করেছেন মহেশ টেঙ্গিনকাইকে। তিনি এই আসন থেকে জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বলে জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী। বিজেপির দাবি তারা অন্তত ৫০ হাজার ভোটে সেখানে জিতবেন। তবে শেট্টারকে বিজেপি কতটা টেক্কা দিতে পারে, এখন সেটাই দেখার।

এবার অন্যতন নজরকাড়া কেন্দ্র চিক্কামগালুরু। ওই কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থী হলেন বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক সিটি রবির এবং একসময়ে তাঁর খুব কাছের বলে পরিচিত এইচডি থামমাইয়া। গত ফেব্রুয়ারি থামমাইয়া কংগ্রেসে যোগ দেন। ২০১৮-তে রবি কংগ্রেস প্রার্থী বিএল শৎঙ্করকে ২৬ হাজারের বেশি ভোটে পরাদিত করেছিলেন।
ভোক্কালিগা সম্প্রদায়ের সিটি রবি এলাকায় বিখ্যাত হয়েছে হালাল খাবার, হিজাব, ১৮ শতকে মাইসুরুর শাসক টিপু তুলতানের বিরুদ্ধে বিদ্বেষমূলক বক্তৃতা দিয়ে। অন্যদিকে থামমাইয়া গত ১৭ বছর ধরে করে আসা দল ছেড়ে ছিলেন টিকিট পাওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ হওয়ায়।
কর্নাটকের অন্যতম নজরকাড়া আসন হল বরুণ। এই কেন্দ্র থেকে এবার প্রার্থী কংগ্রেস নেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া। ২০১৮-র বিধানসভা নির্বাচনে তিনি যে দুই আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন তার মধ্যে এই আসনটি ছিল না। অন্যদিকে ২০০৮ সালের পর থেকে এই আসনটি কংগ্রেসের দখলেই রয়েছে।

উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল এই বরুণ আসন থেকে গতবার জয়ী হয়েছিলেন সিদ্দারামাইয়ার ছোট ছেলে যথীন্দ্র। এখানে বিজেপি প্রার্থী সোমান্নার দাবি তিনি এলাকায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন করবেন। তবে সিদ্দারামাইয়া বিজেপি প্রার্থীকে বহিরাগত বলে আক্রমণ করেছেন।
এবারের কর্নাটক বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম উল্লেখযোগ্য আসন হল কনকপুরা। কনকপুরা বাদ দিয়ে রামনগর জেলায় বাকি তিন আসন রামনাগ্রা, চান্নাপাটনা এবং মাগাদি জেডিএসের ঘাঁটি বলে পরিচিত। এবার এই কেন্দ্রে প্রার্থী তথ্যা রাজ্য কংগ্রেস সভাপতি ডিকে শিবকুমার। ২০০৮ সাল থেকে তিনবার এই আসনে জয়লাভ করেছেন।












Click it and Unblock the Notifications