শিবকুমার-সিদ্দারামাইয়াকে নিয়ে বৈঠকের পরও সাসপেন্স অব্যাহত কর্নাটকে, কে হবেন মুখ্যমন্ত্রী
ডিকে শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়াকে দিল্লিতে তলব করে দফায় দফায় বৈঠকের পরও কর্নাটক জট কাটাতে পারল না কংগ্রেস। এখনও কর্নাটকের মুখ্যমন্রীivর কুর্সিতে কে বসবেন সেই সাসপেন্স কাটিয়ে উঠতে পারেননি রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে ও কেসি বেণুগোপালরা।
কর্নাটকে কংগ্রেসের বিরাট জয় হাসিল করার পর তিনদিন অতিক্রান্ত, এখনও মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে কে বসবেন, তা চূড়ান্ত করতে পারেনি। কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে এখনও কংগ্রেস জট কাটাতে পারেনি। কংগ্রেস প্রধান মল্লিকার্জুন খাড়গে এদিন দিল্লিতে ডিকে শিবকুমার ও সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেন।

সূত্রের খবর মিটিং নিষ্ফলা ছিল। খাড়গে তাঁদের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছেন। তাই আগামীকাল অর্থাৎ বুধবার আরো কয়েকদফা বৈঠক হতে পারে। সেই বৈঠকে সমধান সূত্র বের হয় কি না, সেটাই দেখার। খাড়গে নানাভাবে তাঁদের বোঝানোর চেষ্টা করেছেন। নিজের উদাহারণ দিয়েও বোঝানোর চেষ্টা করেছেন।
কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেসের প্রধান ডিকে শিবকুমার প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসতে নারাজ। তিনি সোমবার সিদ্দারামাইয়াকে বেস্ট অফ লাক বলার পরেও মঙ্গলবারের বৈঠকে সমস্যার সমাধান হল না, তা থেকেই ধরে নেওয়া যায়, সিদ্দারামাইয়া বনাম শিবকুমার দ্বন্দ্ব অব্যাহত রয়েছে।
ইতিমধ্যে রাজ্যে পাঠানো পর্যবেক্ষকদের দলের সঙ্গে নবনির্বাচিত বিধায়কদের বৈঠক হয়েছে। নবনির্বাচিত বিধায়কদের মতামত সম্পর্কে দলের নেতৃত্বকে ইতিমধ্যে অবহিতও করা হয়েছে। তা নিয়ে মল্লিকার্জুন খাড়গে, রাহুল গান্ধী ও কেসি বেণুগোপালের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে। তারা এমন সিদ্ধান্ত নিতে চাইছেন না, যা আগামী বছরের সাধারণ নির্বাচনে দলের সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করে।

ডিকে শিবকুমারের সঙ্গে ভোক্কালিগার একটি বড়ো অংশ রয়েছে। আর সিদ্দারামাইয়ার সঙ্গে একাংশ বিধায়কের পাশাপাশি সংখ্যালঘু, অন্যান্য অনগ্রসর শ্রেণি এবং দলিতদের একটি অংশ রয়েছেন, যাঁরা কংগ্রেসকে ব্যাপকভাবে ভোট দিয়েছিল। এই অবস্থায় আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কর্নাটকের পরবর্তী মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করতে হবে কংগ্রেসকে।
এদিকে সিদ্দারামাইয়া না কি ডিকে শিবকুমার- কার কাঁধে মুখ্যমন্ত্রীর গুরুদায়িত্ব উঠবে তা নিয়ে বিতর্কের মাঝেই কুর্সি দখলের জন্য নতুন দাবি সামনে এসে পড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদের জন্য নতুন দাবি তুলেছে সর্বভারতীয় বীরশৈব মহাসভা। এই বীরশৈব মহাসভা লিঙ্গায়ত সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব করে। তারা চাইছে কোনো লিঙ্গায়েত মুখ্যমন্ত্রী হোন কর্নাটকে।
বীরশৈব মহাসভার দাবি, কংগ্রেসের নবনির্বাচিত বিধায়কদের মধ্যে ৩৪ জনই কিন্তু লিঙ্গায়ত। এবার লিঙ্গায়ত ভোট কংগ্রেসের দিকে ঘুরে যাওয়াতেই এই ফল হয়েছে। লিঙ্গায়েত ভোট একসময় বিজেপির মূল সমর্থনের ভিত্তি ছিল। এবার তা কংগ্রেসের জয়ের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে৷ তার ফলে লিঙ্গায়েতদের মধ্যে থেকেই কাউকে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে বসানো উঠিত।












Click it and Unblock the Notifications