রাহুল গান্ধী মাদক ব্যবসায়ী, অভিযোগ কর্ণাটকের বিজেপি নেতার
রাহুল গান্ধী মাদক ব্যবসায়ী অভিযোগ কর্ণাটকের বিজেপি নেতার
অদ্ভুত অভিযোগ তুললেন কর্ণাটকের বিজেপি নেতা৷ এবার সরাসরি রাহুল গান্ধীকে মাদক ব্যবসায়ী বলে তোপ দাগলেন বিজেপির কর্নাটকের রাজ্যসভাপতি নলিন কুমার কাতিল। সম্প্রতি একটি সভা থেকে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকাসক্ত হিসেবে উল্লেখ করে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন কর্ণাটকের এই বিজেপি নেতা৷

একটি মিটিংয়ে নলিনি বিজেপি সমর্থকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, রাহুল গান্ধী কে? আমি এটা বলছি না যে রাহুল গান্ধী একজন মাদকাসক্ত এবং মাদক ব্যবসায়ী। মিডিয়ায় এই খবর প্রকাশিত হয়েছি। আপনারা দলটাও (কংগ্রেস) চালাতে পারবেন না। সম্প্রতি কর্ণাটক কংগ্রেস থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে নিরক্ষর আখ্যা দিয়ে কন্নড় ভাষায় একটি টুইট করা হয়। এর পরই বিজেপি নেতা এহেন মন্তব্য করেছেন। যদিও ডি কে শিবকুমার পরে ঘোষণা করেন যে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে উদ্দেশ্য করে প্রকাশিত বিতর্কিত টুইটটি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া টিম সরিয়ে দিয়েছে।
নলিন কুমার কতিলের মন্তব্যের পর, ডিকে শিবকুমার আবার টুইটারে গিয়ে বিজেপি নেতার এই আপত্তিকর এবং অসংসদীয় মন্তব্যের জন্য বিজেপির ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলে দাবি করেছেন। তিনি টুইট করে বলেন, গতকাল আমি বলেছিলাম যে আমি বিশ্বাস করি যে আমাদের রাজনীতিতে নাগরিক এবং শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত, এমনকি আমাদের বিরোধীদেরও। আমি আশা করি বিজেপি আমার সাথে একমত হবে এবং শ্রী রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে তাদের রাজ্য সভাপতির আপত্তিকর এবং অসংসদীয় মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাইবে।
এর আগে, একটি টুইটে কর্ণাটক কংগ্রেসের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে 'অঙ্গুথা ছাপ'(নিরক্ষর) শব্দটি ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে নিরক্ষর বলা হয়েছিল। বিরোধী দল কর্নাটক প্রদেশ কংগ্রেসের পক্ষ থেকে টুইটারে কন্নড় ভাষায় লেখা হয়েছিল, কংগ্রেস স্কুল বানিয়েছে কিন্তু মোদী কখনো পড়াশোনা করতে যায়নি। কংগ্রেস এমনকি প্রাপ্তবয়স্কদের শেখার জন্য স্কিম তৈরি করেছিল, মোদি সেখানেও শিখেনি। যদিও ভিক্ষা নিষিদ্ধ, অলস লোকেরা দেশের মানুষকে ভিক্ষুক বানিয়েছে। নিরক্ষর মোদীর কারণে আজ দেশ ভুগছে।
এর জবাবে, বিজেপি কর্ণাটকের মুখপাত্র মালবিকা অবিনাশ বলেন, কেবল কংগ্রেসই এত নিচে নামতে পারে। তিনি আরও যোগ করেন, এটি একটি এম মন্তব্যটি যা আমাদের প্রতিক্রিয়া পাওয়ারও যোগ্য নয়।
এরপরই কর্ণাটক কংগ্রেসের মুখপাত্র লাবণ্য বল্লাল বলেন, টুইটে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে যে ধরণের ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল তা 'দুর্ভাগ্যজনক' এবং তদন্ত করা হবে। যদিও তিনি এর জন্য কংগ্রেসকে ক্ষমা চাইতে হবে বলে মনে করেননি৷ নিতি জানিয়েছিলেন এটাতে ক্ষমা চাওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি না৷ এরপর কর্নাটক কংগ্রেসের নেতা ডিকে শিবকুমার টুইটারে জানিয়েছিলেন একজন নতুন সোশ্যালমিডিয়া ম্যানেজার এই অভব্য টুইটি করে ফেলেছে আমরা এই টুইট সরিয়ে নিয়েছি।












Click it and Unblock the Notifications