কংগ্রেসের একমাত্র বড় দুর্গ কর্ণাটকে ভোটে কাদের পাল্লা ভারী, কী বলছে সমীক্ষা
কর্ণাটক একমাত্র বড় রাজ্য যেখানে দুর্গ সামলে রেখেছে কংগ্রেস। সারা দেশে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের পর একেরপর এক রাজ্যে নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার হয়েছে। আর কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে একেরপর এক রাজ্য।
কর্ণাটক একমাত্র বড় রাজ্য যেখানে দুর্গ সামলে রেখেছে কংগ্রেস। সারা দেশে ২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের পর একেরপর এক রাজ্যে নির্বাচনে বিজেপির জয়জয়কার হয়েছে। আর কংগ্রেসের হাতছাড়া হয়েছে একেরপর এক রাজ্য। সেখানে কর্ণাটকই একমাত্র বড় রাজ্য ছিল কংগ্রেসের হাতে। এবার সেই রাজ্যেও বিধানসভা নির্বাচন।

দক্ষিণের এই রাজ্যে বর্তমান সমীক্ষা রেজাল্ট বলছে, ভোট হলে ৪৯ শতাংশ মানুষ কংগ্রেসের পক্ষে রয়েছে। লোকনীতি-সিএসডিএস সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে বিজেপিকে ২৭ শতাংশ মানুষ পছন্দ করছেন। এদিকে জেডি(এস)-এর পক্ষে যেতে পারেন ২০ শতাংশ মানুষ।
কর্ণাটকের রাজধানী বেঙ্গালুরু কিন্তু শাসক দলের থেকে মুখ ফিরিয়েছে। ৫৫ শতাংশ মানুষ বলছেন তাঁরা সরকারের কাজে অখুশি। ১১ শতাংশ মানুষ বলছেন তাঁরা সম্পূর্ণভাবে খুশি। বাকী অংশ বলেছে সরকার মোটামুটি কাজ করেছে।
যদিও শহরতলি এলাকায় বা গ্রামাঞ্চলে কংগ্রেসের ভিত শক্ত রয়েছে। বিশেষ করে পিছিয়ে পড়া শ্রেণি, তপশিলি জাতি, উপজাতি কংগ্রেসের সিদ্দারামাইয়া সরকারের উপরে আস্থা রেখেছে।
এদিকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে কাকে পছন্দ কর্ণাটকবাসীর? এই প্রশ্নেও বিজেপির বিএস ইয়েদুরাপ্পাকে ছাড়িয়ে জনপ্রিয়তায় এগিয়ে গিয়েছেন সিদ্দারামাইয়া। রাজ্যের ৩৪ শতাংশ মানুষ সিদ্দারামাইয়াকে ফের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে দেখতে চাইছেন। এদিকে বিজেপির ইয়েদুরাপ্পার পক্ষে ভোট দিয়েছেন মাত্র ১৪ শতাংশ মানুষ। ইয়েদুরাপ্পাকে ছাপিয়ে ১৯ শতাংশ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় পছন্দ হিসাবে উঠে এসেছেন জেডি (এস)-এর এইচডি কুমারস্বামী।
রাজ্যের মহিলাদের মধ্যে সিদ্দারামাইয়ার জনপ্রিয়তা প্রতিদ্বন্দ্বীদের তুলনায় অনেক বেশি। সেটাই অনেকটা এগিয়ে রেখেছে তাঁকে। এদিকে কুমারস্বামী বেঙ্গালুরু শহরে ও ভোক্কালিগাদের অনেক ভোট পেয়েছেন। ইয়েদুরাপ্পা ভোট পেয়েছেন লিঙ্গায়েতদের মধ্যে। তবে সবমিলিয়ে কংগ্রেস ও সিদ্দারামাইয়ার পাল্লা ভারী কর্ণাটকে।












Click it and Unblock the Notifications