কানপুর এনকাউন্টারের রাতে মৃত পুলিশকর্মীদের দেহ ধড়-বিছিন্ন করা হয়! 'ডন'কে নিয়ে ফুঁসছে যোগীর পুলিশ
কানপুর এনকাউন্টারের রাতে মৃত পুলিশকর্মীদের দেহ ধড়-বিছিন্ন করা হয়! 'ডন'কে নিয়ে ফুঁসছে যোগীর পুলিশ
একের পর এক মৃত্যু। রাতের অন্ধকারে নিমেষে তরতাজা ৮ টি প্রাণ শেষ হয়ে যায়। অন্ধকার থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি করে ৮ জন পুলিশ কর্মীকে হত্যা করেছে উত্তরপ্রদেশের কানপুরের 'ডন' বিকাশ দুবে ও তার শাগরেদরা। এদিকে, ওই পুলিশ কর্মীদের দেহ ময়নাতদন্তের পর হাড়হিম করা তথ্য প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে।

ময়নাতদন্তে কী জানা গিয়েছে?
ময়নাতদন্তে জানা গিয়েছে, যে সমস্ত পুলিশকর্মীকে এনকাউন্টারের রাতে খুন করা হয়, তাঁদের দেহ পরে টুকরো টুকরো করা হয়েছে। বিল্লাহউরের এক পুলিশ অফিসারের মস্তক দেহ বিচ্ছিন্ন করে বিকাশ দুবের গুণ্ডারা।

নারকীয় রক্তগঙ্গা কানপুরে!
এখানেই শেষ নয়, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অনুযায়ী, এই অফিসারের পায়ের আঙুল ঠান্ডা মাথায় কেটে ফেলা হয়েছে। পুলিশ অফিসারের গোটা দেহ টুকরো টুকরো করে কেটে রেখে যায় বিকাশ দুবের গুন্ডারা।

ব্যবহার করা হয়েছে একে ৪৭!
তদন্ত বলছে, অন্য এক পুলিশ কনস্টেবলের দেহে যে গুলির চিহ্ন মিলেছে, তাতে অনুমান করা হচ্ছে, সেদিন বিকাশ দুবের গুন্ডাদের হাতে ছিল একে ৪৭ বন্দুক। এই সমস্ত তথ্য প্রকাশ্যে আসায় দুবেকে পাকড়াও করাই এখন যোগীর পুলিশের পাখির চোখ।

মাওবাদীদের ধাঁচে হামলা ঘিরে সন্দেহ
পুলিশ জানিয়েছে কানপুর সার্কেলের সমস্ত পুলিশ কর্মী এই মুহূর্তে সন্দেহের খাতায়। পুলিশের তরফে কে বা কারা বিকাশ দুবেকে পালাতে সাহায্য করেছে , তা নিয়ে জোরদার তদন্ত শুরু হয়েছে। অন্যদিকে, যেভাবে সেদিনের রাতে হামলা চলেছে, তাতে পুলিশ মনে করছে, এমন হামলার ধাঁচ মাওবাদীদের ক্ষেত্রে দেখা যায়। ফলে ৩ জুলাই ভোররাতের এনকাউন্টার ভারতের অপরাধের রেকর্ডে এই মুহূর্তে অন্যতম হাইভোল্টেজ ঘটনা হয়ে উঠতে শুরু করেছে।

১৯ বছর আগে পুলিশ স্টেশনে মন্ত্রীকে খুন
উত্তরপ্রদেশ এসটিএফ ছাড়াও উত্তরপ্রদেশ পুলিশ পর পর মামলায় অভিযুক্ত বিকাশকে গ্রেফতার করে। আর যতবারই বিকাশ জেলে গিয়েছে, ততবারই ছাড়া ঠিক পেয়ে গিয়েছে! সেই বিকাশই একবার পুলিশ স্টেশনের মধ্যে উত্তরপ্রদেশের মন্ত্রী সন্তোষ শুক্লাকে খুন করে। 'শিবালি ডন' নামে খ্যাত দুবে এরপরই কোর্টের সামনে ধরা দেয়। কয়েক মাস পরেই সে এই হাইপ্রোফাইল খুনের মামলায় ছাড়া পায়।












Click it and Unblock the Notifications