কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস দুর্ঘটনা: যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য নতুন কোন পদ্ধতির ভাবনা রেলের?
উত্তরবঙ্গে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে দিন কয়েক আগে। ১১ টি তরতাজা প্রাণ চলে গিয়েছে দুর্ঘটনায়। রেল দফতরের গাফিলতির প্রসঙ্গ উঠে আসছে আলোচনায়। আর সেই হিসেবে আরও সমন্বয়ের কথা জানাচ্ছে রেল।
বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে আরও বেশি করে যোগাযোগ, সমন্বয় রাখতে হবে। যার মাধ্যমে যে কোনও প্রযুক্তিগত সমস্যার মোকাবিলা করা যাবে। এই ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো যাবে। নতুন করে সমন্বয় সাধনের কথাও বলা হচ্ছে।

সূত্র মারফত খবরে জানা গিয়েছে, কল রেকর্ডের বিষয়টি উঠে আসছে। এবার থেকে কথোপকথনের কল রেকর্ড রাখার কথা বলা হচ্ছে। রেল গেট, কেবিনের যোগাযোগের কল রেকর্ড করা হবে। এক্ষেত্রে রেল গেটম্যান, স্টেশন মাস্টার ও অন্যান্য কর্মী, আধিকারিকরা সেই তথ্য সম্পর্কে অবহিত থাকবেন।
উত্তর-পূর্ব রেলের তরফ থেকে এই বিষয়টি বলা হচ্ছে। আগামী দিনে কল রেকর্ড করা হতে পারে। যদি কোনও কারণে দুর্ঘটনা বা যে কোনও সমস্যা ঘটে। সেক্ষেত্রে এই কল রেকর্ড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল? কোথায় সমস্যা ছিল? সেই বিষয়ে তথ্য ছিল কী না, কল রেকর্ডের মাধ্যমে সেই বার্তা সামনে আসবে। এমন কথা হচ্ছে।
এতদিন পর্যন্ত এই কল রেকর্ড বড় জংশন ও রেল গেটের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল। এবার সব স্টেশন ও রেল গেটের মধ্যে এই কল রেকর্ড করা হবে৷ এই প্রস্তাবের কথা প্রাথমিকভাবে শোনা গিয়েছে। দ্বিতীয় একটি প্রস্তাবও বেশ গুরুত্বপূর্ণ। নির্দিষ্ট দূরত্ব অতিক্রম করলে ট্রেনের জন্য লাইন পরিষ্কারের বার্তা কাগজে চলে আসবে৷ স্বয়ংক্রিয় সিস্টেমে এই কাগজ চলে আসবে। এভাবে পুরো যাত্রা পথ মনিটরিং হবে। এই বিষয়টিও ভাবনাচিন্তা হচ্ছে৷
শিয়ালদহ ডিভিশনের সব স্টেশন মাস্টারদের আপাতত এই পিএলসিটি প্রক্রিয়ার মধ্যে আনার কথা বলা হচ্ছে। পেপার লাইন ক্লিয়ার টিকিট ( পিএলসিটি) অর্ডার সম্পর্কে স্টেশন মাস্টারদের অবগত থাকতে হবে।
পিএলসিটি হল একটি কাগজের অনুমোদন। একটি ট্রেন নির্দিষ্ট দূরত্বের মধ্যে লাল সিঙ্গেল উপেক্ষা করতে পারে এই কাগজের মাধ্যমে। যেখানে স্বয়ংক্রিয় সিগন্যালিং সিস্টেমটি ত্রুটিপূর্ণ রয়েছে। সেখানেই এই কাগজ মহামূল্যবান হয়ে ওঠে। সেক্ষেত্রে ১৫ কিলোমিটারের মধ্যে ট্রেনের গতিবেগ থাকবে।












Click it and Unblock the Notifications