করোনার বিরুদ্ধে এবার লড়াই করবে কড়কনাথ! কীভাবে? আইসিএমআরের কাছে গেল রিপোর্ট
দেশে এখনও করোনা পরিস্থিতি চলছে! কিন্তু করোনা বিধিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে ঘোরাফেরা। তবে দেশের একটা বিশাল অংশের মানুষ ইমিউনিটি নিয়ে বিশেষ চিন্তিত। সমীক্ষা বলছে যে সমস্ত মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি ক্ষমতা বেশি তাঁদের করো
দেশে এখনও করোনা পরিস্থিতি চলছে! কিন্তু করোনা বিধিকে কার্যত বুড়ো আঙুল দেখিয়ে চলছে ঘোরাফেরা। তবে দেশের একটা বিশাল অংশের মানুষ ইমিউনিটি নিয়ে বিশেষ চিন্তিত। সমীক্ষা বলছে যে সমস্ত মানুষের মধ্যে ইমিউনিটি ক্ষমতা বেশি তাঁদের করোনা ধরতে কিছুটা ভয় পায়।
আর তাই শরীরে ইমিউনিটি বাড়ানোর ভিটামিন সি, টক জাতীয় খাদ্যের চাহিদা বেড়েছে। এই অবস্থাতে আশার কথা শোনাচ্ছে এক সমীক্ষা। তথ্য বলছে, শরীরে ইমিউনিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে কড়কনাথ মুরগী কাজে আসতে পারে বলে দাবি।

কড়কনাথ মুরগীর ডিম-মাংস দুটি উপযোগী!
মধ্যপ্রদেশের কড়কনাথ রিসার্চ সেন্টার এবং কৃষি বিজ্ঞান কেন্দ্র ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রিসার্চ সেন্টারকে এই বিষয়ে চিঠি দিয়েছে। যেখানে গবেষকরা দাবি করছেন, কড়কনাথ মুরগী শরীরে ইমিউনিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে ভয়ঙ্কর উপযোগী! সমীক্ষা বলছে, কড়কনাথকে ডায়েটের মধ্যে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। এরপর বেশ কিছু পরীক্ষানিরীক্ষা চালানো হয়। গবেষকরা বলছেন, সমীক্ষাতে দেখা গিয়েছে যে বিখ্যাত কড়কনাথ মুরগি শরীরের মধ্যে ইমিউনিটি বাড়ানোর ক্ষেত্রে সাহায্য করছে। মুরগীর মাংস এবং ডিম রোগ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বাড়াতে সবরকম ভাবে সাহায্য করছে। শুধু তাই নয়, কড়কনাথ মুরগীর মধ্যে থাকা প্রোটিনও বেশ কিছু শরীরে সাহায্য করে।

প্রয়োজন রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করতে প্রয়োজন শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। যতটা সম্ভব শরীরে রোগ প্রতিরক্ষা ক্ষমতা বৃদ্ধি হবে তত করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করা সম্ভব হবে । ইমিউনিটি মজবুত হলে খুব সহজেই করোনাকে হারানো সম্ভব। তবে অনেক ক্ষেত্রে করোনার হামলাতে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। হাজারো রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করার খাবার খেলেও মৃত্যু হচ্ছে অনেক ব্যক্তির। যদিও এই সময় হাই-প্রটিন খাবারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। এই অবস্থায় কড়কনাথ মুরগীকে নিয়ে এই গবেষণা কাজে আসতে পারে বলে দাবি গবেষকদের।

ডায়েট প্রটোকল!
মধ্যপ্রদেশের কড়কনাথ রিসার্চ সেন্টার আরও একটি চাঞ্চল্যকর দাবি করেছে। তাঁরা বলছে কড়কনাথ মুরগীর মাংসতে হাই-প্রটিন, ভিটামিন, জিঙ্কের উপকার পাওয়া যায়। এছাড়াও, লো ফ্যাট হওয়াতে শরীরে চর্বিও যায় না। কলেস্ট্রোল ফ্রি হওয়াতেও এই মুরগী খাওয়া সম্পূর্ণ স্বাস্থ্যকর। ফলে করোনা-পরিস্থিতি কিংবা পরে ডায়েট প্রটোকল মেনে খাওয়া উচিৎ বলে জানাচ্ছেন গবেষকরা।












Click it and Unblock the Notifications