মধ্যপ্রদেশে সিন্ধিয়া-ম্যাজিক ফ্লপ! রাজবংশের দূর্গ গুনা থেকে জ্যোতিরাদিত্যর হার কি অশনি সংকেত
রাজার শহর মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র। সেখানের সিন্ধিয়া রাজবংশের সন্তান জ্যোতিরাদিত্য। যাঁকে রাহুল গান্ধী অন্য়তম কাছের মানুষ বলে জানে গোাটা দেশের রাজনৈতিক মহল।
রাজার শহর মধ্যপ্রদেশের গোয়ালিয়র। সেখানের সিন্ধিয়া রাজবংশের সন্তান জ্যোতিরাদিত্য। যাঁকে রাহুল গান্ধী অন্য়তম কাছের মানুষ বলে জানে গোাটা দেশের রাজনৈতিক মহল। বন্ধু জ্যোতিরাদিত্যকে আদর করে 'জ্যোতির' বলে ডাকেন রাহুল । দেশের দুই নামী রাজনৈতিক পরিবারের মধ্যে যদি একটি গান্ধী পরিবার হয়, তাহলে অপরটি অবশ্যই সিন্ধিয়া রাজবংশ। যে বংশের একাধিক সদস্য রাজনীতিতে দাপট দেখিয়েছেন। এই বংশের মেয়ে তথা জ্যোতিরাদিত্যর পিসি যদিও ২০১৯ ভোটে রাজস্থানে নিজের দূর্গ বাঁচিয়ে নিয়েছেন, তবে ভাইপো 'জ্যোতি' সিন্ধিয়া গড় গুনা থেকে লজ্জাজনক হারের সম্মুখীন হয়েছেন।

গুনা ও সিন্ধিয়া রাজবংশ
মধ্যপ্রদেশের গুনা কেন্দ্র বরাবরই সিন্ধিয়া পরিবারের পোক্ত দূর্গ ছিল। এককালে রাজমাতা বিজয় রাজে সিন্ধিয়া এই এলাকা থেকে সাংসদ হয়েছেন। এরপর তাঁর ছেলে মাধব রাও সিন্ধিয়াকে গুনা কেন্দ্র সাংসদ বানিয়েছে। এরপর মাধবপুত্র জ্যোতিরাদিত্যর পালা ছিল ২০০৪ সালে। মাধব রাওয়ের মৃত্যুর পর ২০০১ সালে কংগ্রেসে যোগ দিয়ে ২০০৪ সাল থেকে গুনা কেন্দ্রে জয়ী হয়ে আসেন জ্যোতিরাদিত্য।

গড় বাঁচাতে গিয়ে কোথায় গলতি?
মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচনের সময় থেকেই জ্যোতিরাদিত্যকে নিয়ে হইচই ছিল। তবে তাঁকে মুখ্যমন্ত্রী পদে দেখতে চাননি কোনও কমল নাথ পন্থী নেতাই। আর সূত্রের একটা অংশের দাবি, এই কমলনাথ পন্থী নেতাদের জন্যই, সম্ভবত গুনা কেন্দ্রে কংগ্রেসের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ছিল। আর সেটাই জ্যোতিরাদিত্যর হারের অন্যতম কারণ।

জ্যোতিরাদিত্যের সঙ্গে কংগ্রেস নেতাদের বিবাদ
গুনা কেন্দ্র থেকে জ্য়োতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ৪ লাখ ভোটে লজ্জাজনক পরাজয়ের শিকার। অনেকেরই ধারণা, মধ্যপ্রদেশে রাজনাথ, কমলনাথের মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে তাঁর বিবাদের জেরেই এমনটা হয়েছে। যদিও এ নিয়ে সমস্ত রিপোর্ট নস্যাৎ করেন জ্যোতিরাদিত্য। অনেকের দাবি রাজবংশের ম্যাজিক আর গুনার মতো কেন্দ্রে চলছে না। ফলে ভোটাররাও মুখ ফিরিয়ে নেন জ্যোতিরাদিত্যর থেকে।












Click it and Unblock the Notifications