Congress joining: বিজেপিতে মোহভঙ্গ জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার অনুগামীর, নির্বাচনের মুখে ফিরলেন কংগ্রেসে
জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার অনুগামী বিধায়ক সমন্দর প্যাটেলের মোহভঙ্গ হল বিজেপিতে। তিন বছর আগে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার হাত ধরে কংগ্রেস ছেড়েছিলেন তিনি। এবার মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের মুখে তাঁর হাত ছেড়ে ফিরে গেলেন কংগ্রেসে। সমন্দর প্যাটেল তাঁর অনুগামীদের নিয়ে এদিন যোগ দেন কংগ্রেসে।
শনিবার ৪০০টির বেশি গাড়ির কনভয় ছুটিয়ে তিনি নিমুচের জাওয়াদ থেকে মধ্যপ্রদেশের রাজধানী ভোপালের পার্টি অফিসে আসেন। বিজেপি ছেড়ে দলবল নিয়ে প্রদেশ কংগ্রেস কমিটির প্রধান কমল নাথের উপস্থিতিতে তিনি যোগদান করেন গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টিতে। হাতে তুলে নেন কংগ্রেসের তেরঙ্গা পতাকা।

জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ডানহাত বলে পরিচিত সমন্দর প্যাটেলের যোগদানের পর প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি কমল নাথ বলেন, প্যাটেল কংগ্রেসের আদর্শ, রীতিনীতিতে বিশ্বাসী। দলের প্রতি তিনি আনুগত্য হয়েই নিঃশর্তে কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তাঁর সত্যই তাঁকে ফের কংগ্রেসে ফিরিয়ে এনেছে। আমার পূর্ণ বিশ্বাস তিনি তাঁর এলাকার মানুষের কাছে সেই সত্যটাই তুলে ধরবেন।
কমল নাথ আরও বলেন, ২০১৮ সাসে মানুষের রায় ছিল কংগ্রেসের দিকে। জনতার রায় নিয়েই কংগ্রেস সরকার গড়েছিল। কিন্তু শিবরাজ সিং চৌহানের নেতৃত্বে হর্স ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে অর্থের শক্তিতে এখানে কংগ্রেসের সরকার ফেলে দিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করেছিল। কিন্তু তা দুর্নীতি, কেলেঙ্কারিতে নিমজ্জিত।
তাঁর কথায়, আবারও মধ্যপ্রদেশের মানুষ তাঁদের আশীর্বাদ দেবেন। এবং বিজেপিতে আবারও ছুড়ে ফেলে দেবেন জনতা। ১৮ বছর ধরে সরকার চালিয়েছে বিজেপি। শিবরাজ চৌহানের নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার শুধু দুর্নীতিতে এক নম্বর নয়, মহিলা, যুবক ও কৃষকদের বিরুদ্ধে নৃশংসতাতেও এক নম্বর।
তিনি বলেন, এখন রাজ্যের মানুষ শিবরাজ সরকারকে বিদায় জানাতে মুখিয়ে রয়েছে। তাঁর তাঁদের মন প্রস্তুত করে ফেলেছেন। বিজেপি সরকারের পতন এখন স্রেফ সময়ের অপেক্ষা। আমরা তাঁকে ভালোবাসা দিয়েই বিদায় জানাব। এদিন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার ডানহাত সমন্দর প্যাটেলকে দলে পেয়ে বেজায় খুশি কমলনাথ।
এদিকে কংগ্রেসে ফিরে সমন্দর প্যাটেল বলেন, পুরনো দলে ফিরতে পেরে খুব খুশি। নিজেকে অনেক হালকা বোধ করছি। এটি কিন্তু সিন্ধিয়ার অনুগামীদের ঘরওয়াপসির প্রথম ঘটনা নয়। সম্প্রতি শিবপুরী জেলা কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি বৈজদনাথ সিং যাদব, যিনি জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে কাজ করছিলেন, তিনিও অনুগামীদের নিয়ে কংগ্রেস ফিরেছেন।
জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার আরও এক সহযোগী রাকেশ গুপ্তা বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে আসেন। তিনিও অনুগামীদের নিয়ে যোগ দেন কংগ্রেস শিবিরে। এভাবেই জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার শক্তিক্ষয় হচ্ছে, উল্টোদিকে কংগ্রেসের শক্তি বাড়ছে। এ বছরের শেষের দিকেই ভোট মধ্যপ্রদেশে। তার আগে যেভাবে কংগ্রেসে ঘরওয়াপসি হচ্ছে বিজেপির কপালে চিন্তার ভাঁজ স্পষ্ট।












Click it and Unblock the Notifications