Congress Joining: বিজেপিতে বড় ধাক্কা ভোটের মুখে, সিন্ধিয়া শিবিরের নেতা প্রমোদ ট্যান্ডন ফিরলেন কংগ্রেসে
মধ্যপ্রদেশে নির্বাচনের আগে বিজেপি জোর ধাক্কা খেল। বিজেপিকে ধাক্কা দিয়ে জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া শিবিরের নেতা প্রমোদ ট্যান্ডন ফিরলেন কংগ্রেসে। ২০২০ সালের সালের মার্চ মাসে সিন্ধিয়া-সহ তাঁর অনুগত কংগ্রেস বিধায়করা রাজ্যের কমল নাথের নেতৃত্বাধীন সরকারকে বিপাকে ফেলে দলত্যাগ করেছিলেন।
কংগ্রেস পরিবার ও কমলনাথ সরকাল পরিত্যাগ করার পরে অনেকের সঙ্গে প্রমোদ ট্যান্ডনও বিজেপিতে যোগদান করেছিলেন। আসন্ন মধ্যপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সহযোগী প্রমোদ ট্যান্ডন শনিবার পুনরায় কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

এদিন প্রমোজদ ট্যান্ডন, রামকিশোর শুক্লা এবং দীনেশ মালহারকে আনুষ্ঠানিকভাবে পার্টির রাজ্য ইউনিটের সভাপতি কমল নাথ ইন্দোরে কংগ্রেসে পুনরায় অন্তর্ভুক্ত করেছেন। প্রমোদ ট্যান্ডনকে রাজ্য বিজেপির ওয়ার্কিং কমিটিতে নিযুক্ত করা হয়েছিল, তবে তিনি সমস্ত পদ ছেড়ে কংগ্রেসে ফিরে এসেছেন।
প্রমোদ ট্যান্ডন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ও তাঁর পিতা প্রয়াত মাধবরাও সিন্ধিয়ার একজন অনুগামী বলে পরিচিত ছিলেন। গত ১৮ অগাস্ট সমন্দর প্যাটেল বিজেপির ওয়ার্কিং কমিটির সদস্য তাঁর অনুগামীদের নিয়ে কংগ্রেসে ফিরে আসেন। প্যাটেলের মতে, ট্যান্ডন হলেন সিন্ধিয়া গোষ্ঠীর ষষ্ঠ রাজনীতিবিদ যিনি কংগ্রেসে ফিরে এলেন
রাজ্য বিজেপির ওয়ার্কিং কমিটির আর এক সদস্য বৈজনাথ সিং যাদব জুলাই মাসে কংগ্রেসে যোগ দেন। এদিন ট্যান্ডন বিজেপি রাজ্য সভাপতি ভিডি শর্মাকে একটি চিঠি দিয়ে বিজেপির প্রাথমিক সদস্যপদ এবং রাজ্য কার্যনির্বাহী সদস্যপদ থেকে পদত্যাগ করেছিলেন।
বিজেপি থেকে তাঁর পদত্যাগের পর সিটি কংগ্রেসের সভাপতি সুরজিৎ সিং চাড্ডা এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি গোলু অগ্নিহোত্রী প্রমোদ ট্যান্ডনের বাড়িতে তাঁকে শুভেচ্ছা জানাতে এবং তাকে কংগ্রেস পার্টিতে ফিরে আসার আমন্ত্রণ জানান। তারপরই প্রমোদ ট্যান্ডন কংগ্রেসে ফিরে আসার সিদ্ধান্ত নেন।
ট্যান্ডন বলেন, "আমি মাধবরাও সিন্ধিয়ার একজন সহচর ছিলাম। আমি যখন জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার সঙ্গে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলাম, তখন আমাদের খুবই একতা ছিল। কিন্তু এখন সিন্ধিয়ার অগ্রাধিকার বদলে গেছে। আমি পদত্যাগ করেছি, কারণ বিজেপির ঔদ্ধত্য ও একনায়কত্ব আমি মানতে পারিনি।
এই বছরের শেষের দিকে রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে। কংগ্রেস ২০১৮ সালে শেষ বিধানসভা নির্বাচনে জয়লাভ করেছিল। সিনিয়র রাজনীতিবিদ কমল নাথ মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন। তা সত্ত্বেও ২০২০ সালে একটি রাজনৈতিক ভূমিকম্পে রাজ্য কেঁপে উঠেছিল, যখন তৎকালীন কংগ্রেস নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া ২২ জন বিধায়ককে নিয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন।
এর ফলে কমলনাথ সরকার সংখ্যালঘু হয়ে পড়েন। এর ফলে কংগ্রেস প্রশাসন ভেঙে যায়। এরপর বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠা করে মধ্যপ্রদেশে। শিবরাজ সিং চৌহান মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে ফিরে আসেন। মধ্যপ্রদেশে মাঝপথেই সরকার বদল হয়ে যায়।
-
ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামে উত্তাপ চরমে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে ভয়ের রাজনীতির অভিযোগে মনোনয়ন বাতিলের দাবি তৃণমূলের -
যুদ্ধ নয়, আলোচনায় সমাধান! হরমুজ ইস্যুতে বৈঠক ডাকল ব্রিটেন, যোগ দিচ্ছে ভারত -
'মালদহ কাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড' মোফাক্কেরুল ইসলাম গ্রেফতার, পালানোর সময় বাগডোগরা থেকে ধৃত -
আরও একটি সাপ্লিমেন্টারি ভোটার তালিকা প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন, আর কত নাম নিষ্পত্তি হওয়া বাকি? -
বাংলায় ভোট পরবর্তী হিংসা রুখতে অনির্দিষ্টকালের জন্য থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী -
ভোটের আগেই কমিশনের কড়া নির্দেশ! অনুমতি ছাড়া জমায়েত নয়, নিয়ম ভাঙলেই গ্রেফতার, রাজ্যজুড়ে জারি কঠোর নির্দেশ -
দাগি নেতাদের নিরাপত্তা কাটছাঁট কতটা মানল পুলিশ? স্টেটাস রিপোর্ট চাইল নির্বাচন কমিশন -
যুদ্ধ পরিস্থিতির মাঝেই বড় রদবদল! মার্কিন সেনা প্রধানকে সরাল ট্রাম্প প্রশাসন, কারণ কী, জল্পনা তুঙ্গে -
আরও একটি মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি ইরানের, কী বলছে আমেরিকা? -
এপ্রিলে শক্তিশালী ত্রিগ্রহী যোগ, শনি-সূর্য-মঙ্গলের বিরল মিলনে কাদের থাকতে হবে সতর্ক? -
এপ্রিলেই বাড়ছে গরমের দাপট! আগামী সপ্তাহেই ৪-৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বাড়ার আশঙ্কা, কী জানাচ্ছে হাওয়া অফিস -
পশ্চিম এশিয়ার যুদ্ধের প্রভাব! শিল্পে ধাক্কা, একলাফে বাড়ল ডিজেলের দাম, কত হল? জানুন












Click it and Unblock the Notifications