Get Updates
Get notified of breaking news, exclusive insights, and must-see stories!

মোদী-রাজ্যে গিয়ে বিবিসি তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা ও আইটি অভিযানের নিন্দায় বিচারপতি নরিম্যান

কিছু নিষিদ্ধ করা মানে এটা নিশ্চিত যে অন্যথায় এটি আরও বেশি লোক দেখবেন। কারণ আপনি ইন্টারনেটে এমন কিছু নিষিদ্ধ করছেন, যা হাইড্রা-হেডেড।

মোদী-রাজ্যে গিয়ে বিবিসি তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করলেন বিচারপতি রোহিন্টন নরিম্যান। তিনি আইটি অভিযানের নিন্দাতেও সরব হলেন এদিন। তিনি বলেন, তথ্যচিত্র প্রদর্শনে নিষেধাজ্ঞা একটি দুর্ভাগ্যজনক বিষয়। আর তার থেকেও দুর্ভাগ্যের বিষয় হল বিবিসি অফিসে আয়কর অভিযান।

মোদী-রাজ্যে গিয়ে বিবিসি তথ্যচিত্রে নিষেধাজ্ঞা ও আইটি অভিযানের নিন্দায় বিচারপতি নরিম্যান

সুপ্রিম কোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি রোহিন্টন নরিম্যান বৃহস্পতিবার ২০০২ সালের গুজরাত দাঙ্গা সম্পর্কিত বিবিসি ডকুমেন্টারি 'ইন্ডিয়া: দ্য মোদী কোয়েশ্চেন' প্রদর্শনে কেন্দ্রীয় সরকারের সাম্প্রতিক নিষেধাজ্ঞার নিন্দা করেন। এরপর আয়কর বিভাগ বিবিসির অফিসে পরবর্তী অভিযানেরও নিন্দা করেন।

তিনি বলেন, "আমি সরাসরি বিবিসির দুটি তথ্যচিত্রের কথা উল্লেখ করছি, যেগুলি দেরিতে আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। প্রথম তথ্যচিত্রটি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে আমাদের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী গোধরা দাঙ্গার সময় কী করা হয়েছিল বা করা হয়নি সে সম্পর্কে জানিয়েছিল। আর দ্বিতীয়টি তথ্যচিত্রে বলা হয়েছে, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আজ দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং 'বিভাজনে'র রাজনীতি করছেন।

অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি তাঁর বক্তব্য তুলে ধরেছেন বিবিসির ডকুমেন্টারিতে নিষেধাজ্ঞা এক অসারতা তুলে ধরেছে। ইন্টারনেটকে 'হাইড্রা-হেডেড' হিসাবে উল্লেখ করে তিনি ব্যাখ্যা করেন যে এক জায়গা থেকে সরানো মানেই অন্যত্র 'পপ আপ' হবে। তিনি দুটি ডকুমেন্টারি নিষিদ্ধ করা প্রসঙ্গে বলেন, কিছু নিষিদ্ধ করা মানে এটা নিশ্চিত যে অন্যথায় এটি আরও বেশি লোক দেখবেন। কারণ আপনি ইন্টারনেটে এমন কিছু নিষিদ্ধ করছেন, যা হাইড্রা-হেডেড।

প্রাক্তন বিচারপতি আরও বলেন, এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডি এবং আয় দফতরের মতো এজেন্সিগুলিকে জোরপূর্বক ব্যবহার করে বাকস্বাধীনতা হরণ করা হচ্ছে। বিচারপতি নরিম্যান এদিন 'বাকস্বাধীনতা: সমসাময়িক চ্যালেঞ্জ' শীর্ষক জিতেন্দ্র দেশাই স্মারক বক্তৃতার উদ্বোধন করেন।

গুজরাটের আহমেদাবাদে নবজীবন ট্রাস্ট এই বক্তৃতাটির আয়োজন করেছিল। বাকস্বাধীনতা এবং বিবিসি নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষাপটে বিচারপতি নরিম্যান স্মরণ করেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয়মন্ত্রী প্রয়াত অরুণ জেটলি কীভাবে বাক ও মত প্রকাশের স্বাধীনতার জন্য ব্যাট ধরেছিলেন।

তিনি বলেন, আমার প্রিয় বন্ধু অরুণ জেটলি যিনি দুর্ভাগ্যবশত আর আমাদের মধ্যে নেই, তিনি বাকস্বাধীনতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। কারণ তিনি ভুক্তভোগী ছিলেন। তিনি অন্য অনেকের থেকে ভিন্ন। জরুরি অবস্থার সময় ঊনিশ মাস জেলে ছিলেন। তিনি আরও বলেন, জেটলি এক্সপ্রেস নিউজপেপার মামলায় তাঁর বাবা সিনিয়র অ্যাডভোকেট ফালি এস নরিম্যানের জুনিয়র অ্যাডভোকেট হিসাবে উপস্থিত হয়ে খুব গর্বিত ছিলেন।

তিনি অভিমত ব্যক্ত করেন, আজ ভারত এমন অবস্থানে রয়েছে, যেখানে বিরোধী দলের কোনও অস্তিত্ব নেই। মিডিয়া আর আগের মতো সরকারের সমালোচনা করেন না। ফলে সরকার একপক্ষীয়ভাবে সমস্ত কাজ করছে। তা দেশের পক্ষ এবং সমাজের পক্ষে ক্ষতিকারক।

More From
Prev
Next
Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+