১২৩ বছরের রেকর্ড ভাঙল জুনের গরম, জুলাই মাসে কী হবে ? বর্ষা নিয়ে কী পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনায় দিশেহারা মানুষ। কখনও অতিবৃষ্টি আবার কখনও অনাবৃষ্টি। কখনও দহনের তীব্রতা আবার কখনও ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডব। সবটাই জয়বায়ু পরিবর্তনের মাশুন বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

বর্ষা এলেও বৃষ্টির দেখা মিলছে না একাধিক জায়গায়। গত বছরের মতো এই বছরেও বর্ষা নির্দিষ্ট সমেয়র মধ্যেই কেরলে প্রবেশ করেছিল। কেরলে স্বাভাবিক বর্ষণ শুরু হওয়ায় অনেকেই স্বস্তিতে ছিলেন। নিয়ম মেনে মৌসুমী বায়ু উত্তরপূর্বের রাজ্যে প্রবেশ করে। সেখানে ভাল বর্ষণ শুরু হয়। কিন্তু তারপরেই যেন থমকে যায় মৌসুমি বায়ু। উত্তর পূর্বের রাজ্য গুলি থেকে সরার নাম গন্ধ করছিল না।

Monsoon

তার জেরে জুন মাস জুড়ে ফুটি ফাটা গরমে কষ্ট পেয়েছে উত্তর-পশ্চিম ভারতের সিংহভাগ এলাকা। জুন মাসে সাধারণত বর্ষার বৃষ্টি শুরু হয়ে যায় উত্তর-পূর্ব এবং উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে। কিন্তু এবার জুন মাস জিুড়ে তাপপ্রবাহ তাণ্ডব চালিয়েছে উত্তর-পশ্চিমের রাজ্য গুলিতে। দিল্লি-পাঞ্জাব-হরিয়ানা- রাজস্থান-গুজরাতের একাংশের তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল।

এবারে রাজধানী দিল্লিতে রেকর্ড গরম পড়েছিল। এর আগে কখনও দিল্লিত তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়নি। কিন্তু অবারে রাজধানী দিল্লির তাপমাত্রা ৫৩ ডিগ্রিতে পৌঁছে গিয়েছিল। সবচেয়ে বড় কথা এবারে রাতের এবং দিনের তাপমাত্রার ফারাক বেশি ছিল না। যার ফলে রাতেও গরম থেকে রেহাই পাননি দিল্লির বাসিন্দারা। হিট স্ট্রোকে উত্তর-পশ্চিম ভারতে বহু মানুষ মারা গিয়েছেন।

জুন মাসের শেষ থেকে বৃষ্টি শুরু হয়েছে দিল্লি সহ উত্তর পশ্চিম ভারতের রাজ্য গুলিতে। এর আগে কখনও জুন মাসে এতোটা গরম পড়েনি। জুন মাসে এই তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১২৩ বছরের রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। প্রায় এক মাস ধরে গরমের দাপট বজায় থেকেছে জুন মাসে। যা এর আগে কখনও হয়নি।

জুন মাসের এই তীব্র গরমের কারণে সব জিনিসের দাম বেড়ে গিয়েছে। চাষেরও অনেক ক্ষতি হয়েছে। তবে জুলাই মাসে সেটা হবে না বলেই আশ্বস্ত করেছে হাওয়া অফিস। জুলাই মাসে স্বাভাবিক বর্ষার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। IMD-র তরফে জানানো হয়েছে জুলাই মাসে গোটা দেশে ১০৬ শতাংশ বর্ষণ হবে। এবং সেটা গোটা মাস জুড়েই থাকবে।

আবহাওয়া দফতরের এই পূর্বাভাসে কিছুটা হলেও স্বস্তিতে চাষীরা। খরিফ ফসলের চাষ শুরু হয়ে গিয়েছে বিহার, উত্তর প্রদেশ. পাঞ্জাব, হরিয়ানা সহ একাধিক রাজ্যে। খরিফ ফসলের জন্য বর্ষার বৃষ্টির প্রয়োজন। সেকারণে জুন মাসের গরম দেখে সিঁদুরে মেঘ দেখছিলেন চাষীরা। অবশেষে হাওয়া অফিস বর্ষা নিয়ে তাঁদের সুখবরই শুনিয়েছে।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+