অধ্যাপনার যোগ্যতা যাচাই করতে প্রবীণ ইতিহাসবিদের সিভি চাইল জেএনইউ
ইতিহাসবিদ হিসেবে তাঁর নামই যথেষ্ট সেই রমিলা থাপরের অধ্যাপনার যোগ্যতা যাচাইয়ে সিভি চেয়ে পাঠাল জেএনইউ।
ইতিহাসবিদ হিসেবে তাঁর নামই যথেষ্ট সেই রমিলা থাপরের অধ্যাপনার যোগ্যতা যাচাইয়ে সিভি চেয়ে পাঠাল জেএনইউ। তিনি আর অধ্যাপনার পদে থাকবেন কিনা সেটা যাচাই করতে নব্য নিযুক্ত কমিটি নাকি তাঁর ডিগ্রি দেখতে চেয়েছেন। ৮৭ বছরের বৃদ্ধা ইতিহাসবিদের কাছে জওহরলাল নেহরুর রেজিস্ট্রার এমনই চিঠি পাঠিয়েছেন।

রমিলা থাপরের সিভি চাইল জেএনইউ
কেন্দ্রের মোদী সরকারের কড়া সমালোচক তিনি। জ্ঞান নিয়ে প্রশ্ন না করাই ভাল। প্রবীণা ইতিহাসবিদের কাছ থেকে শিক্ষা বা জ্ঞান পাওয়ার সুযোগ পেলে নিজেদের ধন্য মনে করেন পড়ুয়ারা। এমন একজন জ্ঞানী অধ্যাপকের যোগ্যতা যাচাই করতে চাইছে বিশ্ববিদ্যালয়। তাই নিয়ে রীতিমত ক্ষুব্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অধ্যাপকরা।

রাজনৈতির উদ্দ্যেশ্য প্রণোদিত পদক্ষেপ
রমিলা থাপারের কাছে সিভি চাওয়ার ঘটনাটি পুরোটাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে অভিযোগ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অধ্যাপকরা। কারণ বারবরই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কথা বলে এসেছেন তিনি। শিক্ষার বেসরকাির করণের বিষয়ে বিশেষ করে সরব হয়েছিলেন রমিলা থাপার। সেকারণেই তাঁকে এই হেনস্থার স্বীকার হতে হচ্ছে বলে দাবি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্য অধ্যাপকরা।

রুষ্ট জেএনইউ-র অধ্যাপকরা
গত ছয় দশক ধরে যিনি অধ্যাপনা এবং গবেষণার কাজ করে আসছেন এহেন এক অভিজ্ঞ এবং প্রবীণ অধ্যাপকের সঙ্গে এহেন আচরণ কিছুতেই মেনে নিতে পারছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য অধ্যাপকরা। ১৯৭০ সাল থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত জেএনইউতে অধ্যাপনার কাজ করেছেন রমিলা থাপর। দেশ বিদেশের একাধিক সম্মান এবং পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। রেজিস্ট্রারে চিঠিতে লেখা হয়েছে অযথা একটি পদ দখল করে রয়েছেন রমিলা থাপর। বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ঘর দখল করে রয়েছেন। অথচ ছাত্রছাত্রীদের পড়াশোনায় তেমন কোনও সাহায্য তিনি করেন না। যদিও রেজিস্ট্রারের এই চিঠি কেন পাঠিয়েছেন তার কোনও সদুত্তর পাওয়া যায়নি।
এর আগে কখনও এমন ঘটনা ঘটেনি বিশ্ববিদ্যালয়ে। কোনওদিনই জেএনইউর প্রবীণ শিক্ষাবিদদের যোগ্যতার প্রমাণ চাওয়া হয় না। এটাই দস্তুর। কিন্তু নতুন বোর্ড গঠন হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বদলাতে শুরু করেছে নিয়ম।












Click it and Unblock the Notifications