রাজ্য দখলে বিজেপির রথের চাকা কি উল্টো দিকে? ঝাড়খণ্ডে জেএমএম-এর দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য
রাজ্য দখলে বিজেপির রথের চাকা কি উল্টো দিকে? ঝাড়খণ্ডে জেএমএম-এর দাবি ঘিরে চাঞ্চল্য
এনডিএ প্রার্থী হলেও আদিবাসী হিসেবে তাদের প্রার্থী দ্রৌপদী মুর্মুকে (Draupadi Murmi) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে (Presidential Election) ভোট দিয়েছে জেএমএম (JMM)। বিজেপি বিষয়টিতে তাদের জয় হিসেবে ব্যাখ্যা করলেন জেএমএম পাল্টা দাবিতে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। তাদের দাবি ঝাড়খণ্ডে বিজেপির (BKP) অর্ধেকের বেশি বিধায়ক (MLA) তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। যদিও বিজেপির তরফে জেএমএম-এর দাবি উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

জেএমএম-এর দাবি
ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার তরফে দাবি করা হয়েছে, বিজেপির অন্তত ১৬ জন বিধায়ক তাদের সঙ্গে যোগাযোগে রয়েছেন। এইসব বিধায়করা নাকি নিজেদেরকে জেএমএম-এর সঙ্গে যুক্ত করতে দলীয় নেতৃত্বের
কাছে আবেদন করেছে। এমনটাই দাবি ঝাড়থণ্ডের শাসক দলের। এব্যাপারে ঝাড়খণ্ডের বিজেপি নেতা বাবুলাল মারাণ্ডি দলের প্রতি অসন্তুষ্ট বলেও দাবি করেছেন জেএমএম-এর সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিয় ভট্টাচার্য।
জেএমএম-এর তরফে দাবি করা হয়েছে ঝাড়খণ্ডে বিজেপির অর্ধেকের বেশি বিধায়ক জেএমএম সরকারকে সমর্থন করতে প্রস্তুত, কেননা সেখানে তাদের দম বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সেই কারণে তারা এখটি ছোট গ্রুপ গঠন করে
জেএমএম সরকারকে সমর্থন করতে চায় বলেও দাবি করেছেন ওই নেতা।

হেমন্ত সোরেনের ওপরে চাপ
জেএমএম এমন একটা সময় এই দাবি করেছে, যে সময় মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন এবং তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তদন্তে সামিল হাইকোর্ট এবং দেশের নির্বাচন কমিশন। খনির লিজ নিয়ে অনিয়মের অভিযোগ করে হেমন্ত সোরেনকে অযোগ্য ঘোষণার দাবি করে নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন করেছে রাজ্য বিজেপি।

মহারাষ্ট্রের পরে বিজেপির লক্ষ্য ঝাড়খণ্ড
গতমাসে যে সময় মহারাষ্ট্রে বিজেপির ক্ষমতা দখলের পথ নিশ্চিত হয়ে যায়, সেই সময় তারা পরবর্তী লক্ষের কথাও জানিয়েছিল। বলা হয়েছিল এবার পাখির চোখ ঝাড়খণ্ড। পশ্চিমবঙ্গের বিরোঝী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বাংলার প্রসঙ্গ বলতে গিয়ে বিজেপির পরবর্তী লক্ষ্য যে ঝাড়খণ্ড সেকথা বলেছিলেন একাধিকবার। ওই রাজ্যের ক্ষমতা দখলের জন্য বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয় বিজেপি। যার জেরে বিপাকে পড়ে জেএমএম-কংগ্রেসের জোট।

২০১৯-এর নির্বাচনে ঝাড়খণ্ডের রাজনৈতিক পরিস্থিতি
২০১৯-এর বিধানসভা নির্বাচনে ঝাড়খণ্ডের ৮১ টি আসনের মধ্যে জেএমএম এবং কংগ্রেস দখল করে যথাক্মে ৩০ টি ও ১৮ টি আসন। আরজেডি, এমসিপি এবং সিপিআইএমএল ১ টি করে আসনে জয়ী হয়। ৫১ টি আসন নিয়ে হেমন্ত সোরেনের নেতৃত্বে সরকার গঠন করে এমজিবি জোট। অন্যদিকে বিরোধী শিবিরের আসন সংখ্যা ৩০। এর মধ্যে বিজেপি একাই ২৬। এছাড়া আজসু ২ এবং নির্দলীয়রা ২ টি আসন পায়।












Click it and Unblock the Notifications