Jharkhand Exit Poll 2024: অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি ইস্যু কাজ করল ঝাড়খণ্ডে! বিজেপির দিকে পাল্লা ভারী
ঝাড়খণ্ডে এবার বদলের ইঙ্গিত? বুথ ফেরত সমীক্ষায় সেই বিষয় উঠে আসছে৷ ফের ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাট বিজেপির দিকে যাওয়ার প্রবল সম্ভাবনা। জেএমএম ও কংগ্রেসের জোট সাফল্য পাচ্ছে না। অনুপ্রবেশ ও দুর্নীতি ইস্যু কি তাহলে ঝাড়খণ্ডে ক্লিক করে গেল? সেই প্রশ্নও উঠছে।
দুই দফায় ৮১ টি আসনে নির্বাচন শেষ হল ঝাড়খণ্ডে। বুথ ফেরত সমীক্ষা প্রকাশিত হচ্ছে। ঝাড়খণ্ডের মাটিতে এবার বিজেপির পালে অনেক বেশি হাওয়া। সরকার গঠন করতে পারে বিজেপি শিবির। সেই ইঙ্গিত এক্সিট পোলগুলিতে পাওয়া যাচ্ছে।

টাইমস নাও জেভিসির এক্সিট পোলে এনডিএ শিবিরকে এগিয়ে রেখেছে। ৪০ থেকে ৪৪ টি আসন পেতে পারে এনডিএ। ইন্ডিয়া জোট পেতে পারে ৩০ থেকে ৪০ টি আসন। চাণক্যের সমীক্ষাতেও এগিয়ে আছে এনডিএ শিবির। ৪৫ থেকে ৫০ টি আসনে জেতার সম্ভাবনা গেরুয়া শিবিরের। এদিকে ইন্ডিয়া জোট পেতে পারে ৩৫ থেকে ৩৮ টি।
তাহলে কি অনুপ্রবেশ ইস্যু প্রভাবিত করল ঝাড়খণ্ডের ভোটারদের? বিজেপির প্রচারে এবার অন্যতম ইস্যু বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ৷ অনুপ্রবেশকারীরা ঝাড়খণ্ডে এসে বসবাস করছে। ঝাড়খণ্ডের শাসকগোষ্ঠী তাদের বসবাসের সুযোগ করে দিচ্ছে। তাদের ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরি করে দেওয়া হচ্ছে। এমন অভিযোগ বিজেপি করেছে৷ শুধু তাই নয়, ঝাড়খণ্ডের আদিবাসীদের জমি জায়গা বাসস্থান ও খাদ্যে অনুপ্রবেশকারীরা ভাগ বসাচ্ছে। সেই প্রচারও বিজেপি জোরকদমে চালায়। বিজেপি এবার ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ ঝাড়খণ্ডে বন্ধ হবে। জমির অধিকার কেড়ে নেওয়া হবে অনুপ্রবেশকারীদের। এই দাবি নেতৃত্ব করেছেন।
দুর্নীতি ইস্যু এবারের প্রচারের অন্যতম বিষয়। ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন দুর্নীতি কাণ্ডে জেলে ছিলেন। এখন তিনি জামিনে মুক্ত। জেএমএম সরকারের সময় একাধিক প্রকল্পে দুর্নীতি হয়েছে। বালি, পাথর, কয়লা সহ একাধিক ক্ষেত্রে লাগামছাড়া দুর্নীতির অভিযোগ তুলেছে বিজেপি।
খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই দুই ইস্যুতে ঝাড়খণ্ডে প্রচার করেন। বিজেপির তারকা প্রচারকরাও একই সুরে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ করেছিলেন। সেই বক্তব্যের নির্যাস কি তাহলে ইভিএম মেশিনে পড়েছে? বুথ ফেরত সমীক্ষা কি সেই ইঙ্গিতই দিচ্ছে? প্রশ্ন রাজনৈতিক মহলের একাংশের।












Click it and Unblock the Notifications