Jharkhand Election Exit Poll: ত্রিশঙ্কু বিধানসভা ঝাড়খণ্ডে! কী ইঙ্গিত P-MARQ Republic এর বুথ ফেরত সমীক্ষায়?
Jharkhand Assembly Election 2024 Exit Poll: ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট মিটেছে ১৩ নভেম্বর। বুধবার ছিল দ্বিতীয় দফার ভোট। ৮১টি বিধানসভা আসনের মধ্যে দ্বিতীয় দফায় ৩৮টি বিধানসভা আসনে হয়েছে ভোটগ্রহণ।
ভোট শেষে শুরু হয়েছে বুথ ফেরত সমীক্ষা (Exit Polls)। সাঁওতাল ভূমে পালাবদল নাকি প্রত্যাবর্তন? কী বলছে পি মার্ক-রিপাবলিকের বুথ ফেরত সমীক্ষা (P MARQ Republic Exit Polls), আসুন দেখে নেওয়া যাক।

পি-মার্ক রিপাবলিকের বুথ ফেরত সমীক্ষায় ঝাড়খণ্ড ত্রিশঙ্কু বিধানসভার (Hung Assembly) ইঙ্গিত। ঝাড়খণ্ডে সরকার গড়তে গেলে ম্যাজিক ফিগার (Magic Figure) ৪১ ছুঁতে হবে যেকোনও জোট বা দলকে। কিন্ত পি মার্ক রিপাবলিকের বুথ ফেরত সমীক্ষা অনুযায়ী সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে না কোনও পক্ষই।
পি মার্ক রিপাবলিকের বুথ ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত, ঝাড়খণ্ডে বিজেপির নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট (NDA) পেতে পারে ৩১ থেকে ৪০টি আসন। অন্যদিকে জেএমএম-কংগ্রেসের ইন্ডি জোট (INDI) পেতে পারে ৩৭ থেকে ৪৭টি আসন। অন্যান্যদের ঝুলিতে যেতে পারে ১ থেকে ৬টি আসন।
ঝাড়খণ্ডে দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোটে ১২টি জেলায় হয়েছে ভোট। এই দফায় সাঁওতাল পরগনা (Santhal Pargana) ও ছোটনাগপুরে (Chhotanagpur) ভোট হয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলির নজর ছিল এই দ্বিতীয় দফাতেই। সাঁওতাল পরগনায় জেএমএম ও বিজেপির প্রার্থীদের ভাগ্যপরীক্ষা হয়েছে বুধবার।
বিকেল ৫টা পর্যন্ত ঝাড়খণ্ডে মোট ভোট পড়েছে ৬৭.৫৯ শতাংশ। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সর্বোচ্চ ভোটদান হয়েছে জামতারায়। সেখানে ৭৬.১৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। এর পরের স্থানে রয়েছে পাকুর ও দেওঘর। সেখানে যথাক্রমে ৭৫.৮৮ ও ৭২.৪৬ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছে কমিশন।
অনুপ্রবেশ (Infiltration) ইস্যুকে হাতিয়ার করে ঝাড়খণ্ডে প্রচার সেরেছে বিজেপি। ক্ষমতায় এলে অনুপ্রবেশ আটকাতে 'বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে' ও 'এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়'-এর মতো স্লোগানও দিয়েছে গেরুয়া শিবির। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মত, অনুপ্রবেশ নিয়ে জেএমএমকে বিজেপির লাগাতার আক্রমণ খানিকটা হলেও বুমেরাং হতে পারে। সীমান্তে সুরক্ষা নিয়ে উল্টে কেন্দ্রের প্রতি অসন্তোষ দেখা দিতে পারে সাঁওতাল ভূমে।
অন্যদিকে, হেমন্ত সোরেনের প্রচারে মূল প্রতিশ্রুতিই ছিল কর্মসংস্থান, নারীশক্তির উন্নয়ন। যেকারণেই বুথ ফেরত সমীক্ষায় ইঙ্গিত, মহিলা ভোটের সিংহভাগ যেতে পারে ইন্ডি জোটের ঝুলিতে। এর নেপথ্যে কারণ হিসেবে অবশ্য মহিলাদের মাসিক ভাতার অঙ্ক বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতিও উড়িয়ে দিচ্ছেন না রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। ২৩ নভেম্বর ফলাফলেই জানা যাবে সবটা।












Click it and Unblock the Notifications