রাজনীতির হাওয়া মোরগ নীতীশ! দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭-তে জোট ছেড়ে ফের তেজস্বীর সঙ্গে
রাজনীতির হাওয়া মোরগ নীতীশ! দুর্নীতির অভিযোগে ২০১৭-তে জোট ছেড়ে ফের তেজস্বীর সঙ্গে
কথাতেই আছে নীতীশ কুমার (Nitish Kumar) হাওয়া মোরগ। এখনও পর্যন্ত নীতীশ কুমার নিজের প্রয়োজনে কখনও এনডিএ (NDA)-র সঙ্গ ছেড়েছেন, আবার কখনও মহাজোট ছেড়েছেন। কিন্তু সব বারেই যে উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি জোট ছেড়েছেন তাতে সফল হয়েছে। ২০১৭-তে আরজেডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ করে মহাজোট ছেড়েছিলেন। কিন্তু বিহারের (Bihar) মুখ্যমন্ত্রী রয়ে গিয়েছিলেন। এবার কি তিনি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লক্ষ্যে ফের এনডিএ ছাড়লেন?

দুর্নীতি আরও গভীরে
২০১৭ সালে দুর্নীতির অভিযোগ করে বিহারে মহাজোট ছেড়েছিলেন নীতীশ। এখনও পর্যন্ত লালুপ্রসাদ যাদব পাঁচটি পশুখাদ্য মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে চারটিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ২০১৭ সালের জুলাইয়ের পর থেকে। ফলে যে দুর্নীতির অভিযোগে নীতীশ কুমার আরজেডির সঙ্গ ছেড়েছিলেন, তা আরও গভীর হয়েছে। গতবছর জামিন পাওয়ার আগে পর্যন্ত লালুপ্রসাদ যাদব বেশিরভাগ সময় জেলেই কাটিয়েছেন।

দুর্নীতি নিয়ে এবার কী বলবেন নীতীশ
বিহারের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী লালু পুত্র তেজস্বীর বিরুদ্ধে মামলা চলছে। তদন্তে অগ্রগতি হয়েছে সামান্যই। আরজেডির দাবি সেগুলি রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত। ২০১৭ সালে জোট ছাড়ার সময় নীতীশ যে দুর্নীতির অভিযোগ করেছিলেন, তা ভুয়ো বলে সেই সময়ই দাবি
করেছিলেন আরজেডি নেতারা। এবার সেবিষয়টি নিয়ে কী বলবেন নীতীশ কুমার, সেই প্রশ্ন করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। সেই সময় আরজেডি বলেছিল, ক্ষমতায় থাকতেই নীতীশের পক্ষ পরিবর্তন। যে কারণে ২০১৩ সালে লালু যাদব প্রথম পশুখাদ্য মামলায় জেলে যাওয়ার পরেও
২০১৫-তে তাঁর দলের সঙ্গেই জোট করেছিলেন নীতীশ।

২০১৫-তে জোট করে ২০১৭-তে ছাড়াছাড়ি
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলেন, ২০১৫-তে নীতীশ কুমার লালুপ্রসাদ যাদবের সঙ্গে জোট করেছিলেন ক্ষমতায় থাকতে। আর সেই কারণেই তিনি ২০১৭-তে জোট ছেড়ে বেরিয়ে বিজেপির হাত ধরেছিলেন। পাঁচ বছর পরে বিজেপির সঙ্গ
ছেড়ে ফের আরজেডির হাত ধরলেন নীতীশ।

বিজেপি প্রতিশ্রুতি, কিন্তু জেডিইউ নয়
বিজেপি ও জেডিইউ জোটের মধ্যে টানাপোড়েন থাকলেও বিজেপি নেতারা ওপরে বারে বারে বলেছেন ২০২৪-এর লক্ষ্যে জোট অক্ষত থাকবে। একসঙ্গেই তারা ২০২৪-এর ভোটে লড়াই করবেন। বিজেপি যে জোট ধর্ম পালন
করে তা গেরুয়া শিবিরের তরফে তুলে ধরে বলা হয়েছে, ২০২০-র নির্বাচনে কম আসন পেলেও নীতীশ কুমারকে বিহারের মুখ্যমন্ত্রী করা হয়েছিল। বিজেপি সিদ্ধান্তকে কটাক্ষ করে বলেছে, যে নীতীশ কুমার দুর্নীতির অভিযোগ করে
আরজেডির সঙ্গ ছেড়েছিলেন, সেই দলের শীর্ষ নেতা দুর্নীতির পাঁচটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত।
অন্যদিকে বিহার বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে জেডিইউ-এর দূরত্ব বেড়েছে বিজেপির সঙ্গে। অধ্যক্ষ পছন্দ না হওয়া থেকে শুরু করে কেন্দ্রের জাত সুমারিতে রাজি না হওয়া ব্যবধান বাড়িয়েছে দুপক্ষের।












Click it and Unblock the Notifications