শিবসেনাকে দেখে অনুপ্রাণিত জেডিইউ, বিজেপির উপর চাপ বাড়ানোর অস্ত্রে শান নীতীশ কুমারের
মহারাষ্ট্রর বিধানসভা ভোটে শিবসেনা- বিজেপির জোট পথ দেখাল নীতীশদের। শরিক দলের উপর কীভাবে চার বাড়ানো যায় তা নিয়ে একেবারে নজির তৈরি করে দিয়েছে শিবসেনা। এই পন্থাই এবার অনুসরণ করতে চলেছে জেডিইউ।
মহারাষ্ট্রর বিধানসভা ভোটে শিবসেনা- বিজেপির জোট পথ দেখাল নীতীশ কুমারদের। শরিক দলের উপর কীভাবে চার বাড়ানো যায় তা নিয়ে একেবারে নজির তৈরি করে দিয়েছে শিবসেনা। এই পন্থাই এবার অনুসরণ করতে চলেছে জেডিইউ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় শরিকদের সমমর্যাদা দেওয়ার দাবিতে সরব হয়েছেন নীতীশ কুমাররা।

জেডিইউর দাবি
বিহারে বিজেপি শরিককে সমমর্যাদা দিয়েছে জেডিইউ। তাহলে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও শরিক দলদের সমমর্যাদা দিতে হবে। জেডিইউর ন্যাশনাল কাউন্সিলের সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই প্রসঙ্গ তুলেছেন নীতীশ কুমার। ২০১৫ সালের বিহার বিধানসভা ভোটে জোট গড়ে লড়েছিল জেডিইউ। মন্ত্রীত্ব বণ্টনের সময় সমবণ্টন করা হয়েছিল। পরোক্ষে শিবসেনার যুক্তিতেই সিলমোহর দিয়েছে জেডিইউ।

মহারাষ্ট্রে শিবসেনা সমান মন্ত্রিত্ব দাবি করেছে
মহারাষ্ট্রে ফলাফল প্রকাশের পর থেকে শিবসেনা ৫০ শতাংশ মন্ত্রিত্ব দাবি করে চলেছে। কোনওভাবেই সেই দাবি থেকে সরে আসতে চাইছেন না উদ্ধব ঠাকরে। এতেই বিপাক বেড়েছে। ফলাফল প্রকাশের সপ্তাহ পার হতে চললেও সরকার গঠন করে উঠতে পারেনি বিজেপি-শিবসেনা জোট।

বিহারে যদি সম্ভব হয় মহারাষ্ট্রে কেন হবে না
জেডিইউ এই ক্ষেত্রে শিবসেনাকেই সমর্থন করেছে। কারন সেসময় অমিত শাহ এবং ত্যাগীর নেতৃত্বেই বিহারের মন্ত্রিসভায় সমবণ্টন হয়েছিল মন্ত্রীত্বের। লোকসভা ভোটের পর জেডিইউর পক্ষ থেকে তিনটি মন্ত্রীপদ দাবি করা হয়েছিল। কিন্তু বিজেপি তা দেয়নি।
২০২০ সালেই বিহারে বিধানসভা নির্বাচন। সেখানে নীতীশ কুমারের দলই প্রধান। জেডিইউকে সামনে রেখেই ভোট যুদ্ধে নামতে হবে বিজেপিকে।












Click it and Unblock the Notifications