বুল্লি বাই অ্যাপের মাস্টারমাইন্ড মেয়েটিকে ক্ষমা করতে বললেন জাভেদ আখতার
বুল্লি বাই অ্যাপের মাস্টারমাইন্ড মেয়েটিকে ক্ষমা করতে বললেন জাভেদ আখতার
বুল্লিবাই অ্যাপে মুসলিম মেয়েদের ছবি আপলোড করে নিলাম করানোর বিষয়টি নিয়ে সরগরম রয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এই ঘটনায় সম্প্রতি একজন ১৮ বছরের তরুণী, এক ২১ বছরের ইঞ্জিনিয়ার যুবক এবং আরও একজনকে গ্রেফতার করেছে মুম্বই পুলিশ। পুলিশ সন্দেহ করছে এই বুল্লি বাই অ্যাপের পেছনে থাকা মাস্টারমাইন্ডটি হল এই ১৮ বছরের তরুণী৷ স্বাভাবিক ভাবেই এই তরুণীর সমালোচনায় ও শাস্তির দাবিতে সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড় উঠেছে৷ এরকম অবস্থায় টুইট করে ১৮ বছরের তরুণীকে ক্ষমা করার ও তার বাড়িতে গিয়ে বোঝানোর অনুরোধ করলেন বলিউডের বিখ্যাত গীতিকার ও হিন্দি কবি জাভেদ আখতার৷

কী বললেন জাভেদ?
টুইটে জাভেদ লেখেন, যদি বুল্লিবাই এই ১৮ বছরের তরুণীর মস্তিষ্কপ্রসূত হয় তাহলে বলব তাঁকে ক্ষমার দৃষ্টিতে দেখা হোক। ক্যান্সার ও কোভিডে পরপর মেয়েটি তাঁর মা ও বাবাকে হারিয়েছে৷ সে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত৷ যে সব মেয়েদের ছবি সে বুল্লিবাই অ্যাপে নিলাম করেছে তাদের মধ্যেই কয়েকজনের উচিৎ হবে ওঁর বাড়িগিয়ে ওকে ওর ভুলগুলো বোঝানো৷ মেয়েটির প্রতি সহানুভূতি দেখান৷

কী হয়েছিল মেয়েটির সঙ্গে?
প্রসঙ্গত, সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে বুল্লিবাই অ্যাপ কান্ডের পেছনে থাকা তরুণীটি সদ্যই মা ও বাবাকে হারিয়েছে৷ ২০১৯ সালে ক্যান্সারের কারণে তার মায়ের মৃত্যু হয়। এরপর ২০২০ সালে কোভিডের সময় সে তার বাবাকে হারায়। স্বাভাবিকভাবেই তার মানসিক চাপ সাধারণের তুলনায় অনেকটায় বেশি বলে ব্যাখ্যা করেছেন জাভেদ।

বুল্লিবাই অ্যাপের ঘটনা নিয়ে মোদিকে টার্গেট জাভেদের!
তবে এই প্রথম নয় বুল্লিবাই অ্যাপ নিয়ে প্রথম থেকেই সরব জাভেদ৷ দু'দিন আগপই এ নিয়ে একটি টুইটে প্রধানমন্ত্রীর মৌনতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সমালোচনা করেছিলেন জাভেদ৷ এমনকি হৃষিকেশে হওয়া হিন্দু সম্মেলন থেকে মুসলিমদের উপর আক্রমণের ডাক দেওয়ার বিষয়টিকেও টেনে এনেছিলেন৷ সে নিয়েও টুইটারত্তিরা তাঁর সমালোচনা করে। এমনকি তাঁর প্রপিতামহকে টেনে নিয়ে আসে। তাঁর সম্পর্কে একাধিল অভিযোগ সোশ্যাল মিডিয়াতে ভাইরাল হয়। যার উত্তর দিতে টুইট করতে হয়েছিল শাবানা আজমিকেও৷

জাভেদের প্রপিতামহ মন্দির ভাঙার নির্দেশ দিয়েছিলেন?
বুল্লিবাই অ্যাপ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিতর্ক ও তাতে জাভেদ আখতারের জড়িয়ে পড়ার পর থেকেই একাধিক টুইটার হ্যান্ডেল থেকে পোস্ট করা হয় যে জাভেদ আখতারের প্রপিতামহ ফজল-ই-হক খয়রাবাদীর নাকি একসময় অযোধ্যায় হনুমানগড়ি মন্দির ভাঙার আদেশ দিয়েছিলেন এবং ইংরেজরা সেময় মন্দির রক্ষা করেছিল৷

উত্তরে যা বললেন শাবানা-জাভেদ?
এই টুইটের পাল্টা শাবানা আজমী টুইটে লেখেন, এটি সম্পূর্ণ মিথ্যে ফজল-ই-হক খয়রাবাদী একজন স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন এবং তিনি সে কারণে আন্তামানে কালিপানিতে গিয়েছিলেন৷ সেখানেই তাঁর মৃত্যু হয়৷ একই দাবি করেছেন জাভেদ আখতারও।












Click it and Unblock the Notifications