Jammu and Kashmir Statehood: জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা কবে? সুপ্রিম কোর্টে সরকারের অবস্থান ব্যাখ্যা
জম্মু ও কাশ্মীরকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করার মোদী সরকারের সিদ্ধান্ত চার বছর পেরিয়ে গিয়েছে। এই বিষয়টি নিয়ে সর্বোচ্চ আদালতে শুনানি চলছে। সর্বোচ্চ আদালতের প্রশ্নের জবাবে কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, জম্মু ও কাশ্মীরকে জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখে ভাগ করা একটি অস্থায়ী ব্যবস্থা। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কেন্দ্র।
প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ ৩৭০ ধারা বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে আবেদনের শুনানির পর সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিক্রিয়া জানান। সুপ্রিম কোর্টের তরফে তুষার মেহতাকে প্রশ্ন করা হয়, এটা কতটা অস্থায়ী এহং জম্মু ও কাশ্মীরে কখন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

উত্তরে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা জানিয়েছেন, লক্ষ্যে পৌঁছনোর জন্য ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। সেই সময় সর্বোচ্চ আদালতের তরফে বলা হয়, এটির অবসান ঘটাতে হবে। সরকার কখন প্রকৃত গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার করবে, সে সম্পর্কে সর্বোচ্চ আদালত সরকারের কাছে নির্দিষ্ট সময়সীমা জানতে চায়। কারণ সেই বিষয়টি তে রেকর্ডে রাখতে চায়।
কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে আদালতকে বলা হয়েছে, ৩১ অগাস্ট জম্মু ও কাশ্মীরের বিষয়টি নিয়ে আদালতে একটি বিবৃতি দেওয়া হবে। তবে জম্মু ও কাশ্মীরের কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মর্যাদা কোনও স্থায়ী বিষয় নয়। অন্যদিকে লাদাখ কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। আপাতত সেই স্ট্যাটাস কিছু সময়ের জন্য থাকবে।
এর থেকে পরিষ্কার, সর্বোচ্চ আদালত কেন্দ্রীয় সরকারকে জম্মু ও কাশ্মীরের রাজ্যের মর্যাদা ফেরানোর প্রত্যাশিত সময়সীমা নির্দিষ্ট করত বলেছে। ৫ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ বলেছে, গণতন্ত্র গুরুত্বপূর্ণ। যদি সবাই একমত যে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রাষ্ট্রের পুনর্গঠন করা যেতে পারে।
এর আগে সোমবার দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, ৩৫এ ধারা প্রত্যাহার করে মৌলিক অধিকার, পেশা অনুশীলনের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications