Jammu and Kashmir Election: জম্মু ও কাশ্মীরে নির্বাচন কবে? সুপ্রিম কোর্টকে জানাল কেন্দ্র
Jammu and Kashmir Election: গত মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে শুনানিতে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফেরাতে কোনও নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি। আর এদিন কেন্দ্রীয় সরকার সুপ্রিম কোর্টকে বলেছে, জম্মু ও কাশ্মীরে যে কোনও সময় নির্বাচন পরিচালনা করা যেতে পারে। তবে সিদ্ধান্তটি নির্বাচন কমিশন এবং রাজ্য নির্বাচন প্যানেলের হাতে রয়েছে।
জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে একগুচ্ছ আবেদনের শুনানির সময় সুপ্রিম কোর্টের প্রশ্নের উত্তর দেন কেন্দ্রের তরফের আইনজীবী। এর আগে কেন্দ্রের তরফে যুক্তি দিয়ে বলা হয়েছিল জম্মু ওও কাশ্মীরে বিভাজনের প্রয়োজন ছিল।

মঙ্গলবারের শুনানিতে সুপ্রিম কোর্ট জম্মু ও কাশ্মীরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনীয়তার ওপরে জোর দিয়েছিল। প্রসঙ্গত ২০১৮-র জুন থেকে জম্মু ও কাশ্মীরে কোনও নির্বাচিত সরকার ছিল না। এদিনের শুনানির সময় কেন্দ্রীয় সরকার জম্মু ও কাশ্মীরকে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিতে দিতে সময়সীমা প্রদান করতে অস্বীকার করে।
আদালতের তরফে যুক্তি দিয়ে খতিয়ে দেখা হচ্ছে জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা বাতিলের পাশাপাশি রাজ্যকে দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সময় যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়েছিল কিনা।
গত দুই বছরের বেশি সময় ধরে রাজ্যের দাবিতে লাদাখে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় লাদাখের নেতারা ও আবেদনকারীরা তাদের হতাশা চেপে রাখতে পারেননি। কেননা সলিসিটর জেনারেল বলেছেন লাদাখ আপাতত একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবেই থাকবে।
উল্লেখ করা যেতে পারে ২০১৯-এর অগাস্টে ৩৭০ ধারা বাতিলের পরে এবং দুটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল তৈরি করার পরে কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছিল, উপযুক্ত সময়ে রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও একই কথা বলেছিলেন। তবে এই ধরনের পদক্ষেপের জন্য কোনও সময়সীমা নির্ধারণ করা যায়নি।
এর আগে সোমবার দেশের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় পর্যবেক্ষণে বলেছিলেন, ৩৫এ ধারা প্রত্যাহার করে মৌলিক অধিকার, পেশা অনুশীলনের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications