Jammu and Kashmir Election: নয়া কাশ্মীরের ফর্মুলা শেষ পর্যন্ত কাজে আসছে না বিজেপির, দাপট বাড়ছে INDIA ব্লকের
ভোট শেষ এবার রেজাল্ট আউটের পালা। বুথ ফেরত সমীক্ষা যেদিকে ইঙ্গিত করছে তাতে বিজেপির খুব একটা সুবিধাজনক অবস্থানে নেই। উল্টে ইন্ডিয়া ব্লকই সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে কাশ্মীরে। ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের আগে পর্যন্ত পিডিপির সঙ্গে জোট গড়েই সরকার গড়েছিল কাশ্মীরে।
কিন্তু সেই জোট ভাল করে টেকেনি। পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি কাঠুয়া কাণ্ডের পরে সেই জোট ভেঙে দেন। তারপরে ২০১৯ সালে দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর মোদী সরকার কাশ্মীরের বিশেষ ক্ষমতা প্রত্যাহার করে নেয় এবং কাশ্মীরকে কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে ঘোষণা করে। লাদাখকেও কাশ্মীরের থেকে আলাদা করে দেওয়া হয়।

মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্চত গোটা দেশকে চমকে গিয়েছিল। প্রায় ১ বছর ধরে সেখানে রাজনৈতিক দলের নেতাদের গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছিল। যদিও ভূস্বর্গে তারপর থেকে এক কথায় সন্ত্রাস বাদ অনেকটাই কমে গিয়েছে। এই প্রথম কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল হিসেবে বিধানসভা ভোট হল কাশ্মীরে।
৩৭০ ধারা চলে যাওয়ার কারণে এবার প্রথম কাশ্মীরে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন সেখানে বসবাসকারী পাকিস্তান থেকে আসা হিন্দু শরণার্থীরা। ভোট দিয়েছে সেখানে বসবাসকারী বাল্মীকি সম্প্রদায়ের মানুষ। সেই সেখানে গত কয়েক বছরে পর্যটকের ঢল নেমেছে। যার জন্য কাশ্মীরের আর্থ সামাজির পরিস্থিতি অনেকটাই ভাল হয়েছে।
কিন্তু এতো কিছুর পরেও এবারের ভোটে বিজেপি তেমন ভাবে আসন পাবেন না বলেই দাবি করছে বিভিন্ন ভোট সমীক্ষা। কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর নয়া কাশ্মীর গড়া লক্ষ্যের কথা জানিয়েছিল মোদী সরকার। তার পাল্টা প্রচারে ইন্ডিয়া ব্লক বা কাশ্মীরের রাজনৈতিক দলগুলি কাশ্মীকেক পূর্ণ মর্যাদা ফিরিয়ে আনার দাবিকে সামনে রেখে প্রচারের ময়দানে নেমেছিল। তাতেই অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। ৯৫ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস ৪০-৪৫টি আসন পাবে বলে দাবি করা হয়েছে বিবিন্ন বুথ ফেরত সমীক্ষায়।
অন্যদিকে বিজেপি ২৭ থেকে ৩১টি আসন পাবে বলে দাবি করা হচ্ছে। এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি একাই পেয়েছিসল ৪৭টি আসন। সেটা অবশ্য ২০১৪ সালের নির্বাচন। কেন্দ্র শাসিক অঞ্চল গড়ার আগে হয়েছিল সেই নির্বাচন।
কিন্তু কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসেবে কাশ্মীরকে মেনেনিতে কিছুতেই রাজি নন সেখানকার রাজনৈতিক দলগুলি। ন্যাশনাল কনফারেন্স থেকে শুরু করে পিডিপি সকলেই মোদী সরকারের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সবর হয়েছিল। নির্বাচনী প্রচারের মূল ইস্যুই ছিল কাশ্মীরের ৩৭০ ধারা ফিরিয়ে আনা এবং কাশ্মীরের পূর্ণ রাজ্যের মর্যাদা ফিরিয়ে আনা। সেই ইস্যুটি নয়া কাশ্মীর গড়ার ইস্যুকেও ছাপিয়ে যেতে বসেছে বলে মনে করা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications