কেন্দ্রীয় বাজেটে ৩০০টি পণ্যের শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হল
আর কিছুদিন পরই বাজেট ঘোষণা। তার আগে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে উৎসাহিত করার জন্য কেন্দ্রীয় বাজেটে সরকার খেলনা, আসবারপত্র, জুতো, প্রলিপ্ত কাগজ, রবার সহ ৩০০টি পণ্যের শুল্ক বাড়াতে পারে বলে জানা গিয়েছে। তবে এখনও এ বিষয়টি আলোচনাস্তরে রয়েছে।

ক্ষুদ্র শিল্পকে স্বস্তি দেওয়া ও কর্মসংস্থান বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানি হ্রাস ও রাজস্ব বাড়ানোর পদক্ষেপ হিসাবেও কাজ করবে। এর মধ্যে অনেকগুলি এমন শিল্প রয়েছে যা মূলত ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতে মনোনিবেশ করছে এবং নিবিড় কর্মসংস্থানের প্রতি নজর দিচ্ছে। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রনালয় বাজেটের সুপারিশে আসবারপত্র, রাসায়নিক, রবার, প্রলিপ্ত কাগজ এবং কাগজ বোর্ড সহ ৩০০ টিরও বেশি পণ্যের ওপর প্রাথমিকভাবে শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে।
জানা গিয়েছে, মন্ত্রকের পক্ষ থেকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে যে জুতো এবং সম্পর্কিত পণ্যের শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে ৩৫ শতাংশ বাড়িয়ে দেওয়া হবে, অন্যদিকে বায়ুপূর্ণ রবারের শুল্ক বাড়ানো হবে ৪০ শতাংশ, যা বর্তমানে রয়েছে ১০–১৫ শতাংশ। মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছে যে জুতোয় আমদানি শুল্ক বৃদ্ধি অবমূল্যায়নযোগ্য ও সস্তা জুতোরর আমদানি বৃদ্ধিকে ব্যর্থ করার পদক্ষেপ। যদিও বেশিরভাগ আমদানি এশিয়ার দেশগুলি থেকে আসছে, যাদের সঙ্গে ভারতের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি রয়েছে, সন্দেহ করা হচ্ছে যে চিন এইসব দেশগুলিতে প্রচুর পরিমাণে জুতো আমদানি করছে।
মন্ত্রক প্রস্তাব দিয়েছে, কাঠের আসবারের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ শুল্ক বাড়ানো হবে। প্রলিপ্ত কাগজ, কাগজ বোর্ড ও হাতে তৈরি কাগজের ক্ষেত্রে ২০ শতাংশ শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। মন্ত্রক বর্জ্য কাগজ এবং কাঠের সজ্জার উপর আমদানি শুল্ক সরিয়ে দেওয়ার জন্য বলেছে, যা বর্তমানে যথাক্রমে ১০ শতাংশ এবং ৫ শতাংশ। প্রসঙ্গত কাগজ শিল্প সস্তা আমদানি এবং অভ্যন্তরীণ চালান বৃদ্ধি সম্পর্কে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
কাঠ, ধাতব ও প্ল্যাস্টিক খেলনার ক্ষেত্রে মন্ত্রক প্রস্তাব দিয়েছে ১০০ শতাংশ শুল্ক বৃদ্ধির, যা বর্তমানে ২০ শতাংশ ছিল। এই খেলনাগুলির আমদানি চীন এবং হংকং থেকে ২০১৭–১৮ সালে ২৮১.৮২ মিলিয়ন থেকে বেড়ে ২০১৮–১৯ সালে তা ৩০৪ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।












Click it and Unblock the Notifications