এটা ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়, না দেখলেও হবে! মালালাকে জবাব আসাদউদ্দিনের
হিজাব বিতর্কে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। কার্যত এই ঘটনার রেশ একের পর এক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সর্বত্র। যা নিয়ে প্রবল অস্বস্তির মধ্যে বিজেপি সরকার। কার্যত এই ইস্যুতে মঙ্গলবারই মুখ খুলেছেন নোবেলজয়ী মালা
হিজাব বিতর্কে ক্রমশ উত্তেজনা বাড়ছে। কার্যত এই ঘটনার রেশ একের পর এক রাজ্যে ছড়িয়ে পড়ছে। ঘটনার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে সর্বত্র। যা নিয়ে প্রবল অস্বস্তির মধ্যে বিজেপি সরকার। কার্যত এই ইস্যুতে মঙ্গলবারই মুখ খুলেছেন নোবেলজয়ী মালালা। কার্যত বিশ্বের দরবারেও মুখ পুড়ছে ভারতের।

এই অবস্থায় মুখ খুললেন AIMIM প্রধান আসাদউদ্দিন ওয়াইসি। তাঁর দাবি, বিজেপির লোকজন মানুষকে ভয় দেখানোর কাজ করছে। তাঁর প্রশ্ন যদি আমি সংসদে টুপি পড়ে যেতে পারি, কেন স্কুল-কলেজে হিজাব পড়া যাবে না।
আজ বুধবার হিজাব বিতর্কে সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন আসাদউদ্দিন। তিনি আরও বলেন, আমি আমার সংবিধানের কথা বলি। শুধু তাই নয়, সেটাই মেনে চলি। বলে রাখা প্রয়োজন আজ কর্নাটক হাইকোর্টে এই সংক্রান্ত মামলার শুনানি ছিল।
মামলার শুনানিতে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ, এই বিষয়টি বৃহত্তর বেঞ্চের বিবেচনার প্রয়োজন। ফলে মামলা কোনদিকে গড়ায় এখন সেদিকেই নজর সবপক্ষের। আর এরমধ্যেই মিম প্রধানের এহেন মন্তব্য যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
আজ বুধবার আসাদউদ্দিন কার্যত বিজেপির বিরুদ্ধে একের পর এক তোপ দাগেন। বলেন, ২০১৪, ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে বিজেপি এই ইস্যু সামনে রেখেই জিতে আসছে। ওয়েসির প্রশ্ন কট্টরবাদ এত কোথা থেকে আসছে? তথাকথিত স্যাকুলার রাজনৈতিক দলগুলি সব কিছু জেনে বুঝেই চোখ বন্ধ করে রেখেছে বলেও তোপ আসাদের।
অন্যদিকে মালালা ইস্যুতেও বক্তব্য রেখেছেন আসাদ। কার্যত তোপই দেগেছেন। আসাদ বলেন, পাকিস্তানিদের বলছি ভারতের দিকে তাকানোর দরকার নেই। তোমাদের বালোচিস্তানের মতো সমস্যা রয়েছে সেটা আগে মেটাও। ভারতের দিকে নজর না দিলেও হবে। এটি সম্পূর্ণ ভাবেই ভারতের আভ্যন্তরীণ বিষয় বলেও নাম না করে মালালাকে তোপ হায়দরাবাদের এই সংখ্যালঘু নেতার।
উল্লেখ্য, হিজাব বিতর্কে মঙ্গলবারই একের পর এক টুইট করেন নোবেলজয়ী মালালা। কার্যত সেই টুইটে ভারতীয় রাজনীতিদের বার্তাই দেন তিনি। টুইটারে লেখেন, হিজাব পড়ে স্কুলে যেতে না দেওয়াটা ভয়ঙ্কর। শুধু তাই নয়, মালালার মতে, মহিলাদের এখনও বস্তু হিসাবে দেখা হচ্ছে। মহিলাদের অধিকার এবং তাঁদের শিক্ষা বিষয়ে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তালিবানদের হাতে গুলি খেতে হয় মালালাকে।
২০১২ সালের এই ঘটনায় কার্যত গোটা বিশ্ব গর্জে উঠেছিল। পরবর্তীকালে নোবেল পুরস্কারেও সম্মানিত করা হয় মালালাকে। তবে কর্নাটকের হিজাব নিয়ে চলা বিতর্কে নিজেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারলেন না এই নোবেলজয়ী। তিনি তাঁর সোশ্যাল মিডিয়াতে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের পর্যন্ত আক্রমণ শানিয়েছেন তাঁর দাবি, ভারতীয় রাজনীতিবিদরা দয়া করে মুসলিম মহিলাদের দূরে সরিয়ে দেবেন না












Click it and Unblock the Notifications