BJPর সঙ্গে সরকার গঠনে কথা হয়েছিল NCP-র! ফড়নবিশের দাবির পাল্টা 'সংস্কৃতিবান-ভদ্রলোক' কটাক্ষ পাওয়ারের

তিনি মহারাষ্ট্রের স্ট্রংম্যান হিসেবে পরিচিত। বিজেপি বিরোধী রাজনীতিই তিনি করেন। সেই শারদ পাওয়ারই নাকি বিজেপির সঙ্গে সরকার তৈরি করতে কথা বলেছিলেন। বর্তমান উপমুখ্যমন্ত্রীর দাবির পাল্টা জবাব দিয়েছেন এনসিপি সুপ্রিমো।

তিনবছর আগে মহারাষ্ট্রে বিজেপির সরকার তৈরির চেষ্টা বিফলে গিয়েছিল। এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ার সেই সময় দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সঙ্গে সরকারে অংশও নেন। বর্তমানে মহারাষ্ট্রে বিজেপি জোট সরকারের উপমুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ দাবি করেছেন, সেদিনের অভ্যুত্থানে সমর্থন ছিল এনসিপি প্রধান শরদ পাওয়ারের। যদিও শরদ পাওয়ার সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

ফড়নবিশের দাবি

ফড়নবিশের দাবি

এক অনুষ্ঠানে মহারাষ্ট্রের বর্তমান উপ মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ বলেছেন, কথাবার্তা হওয়ার পরেই অজিত পাওয়ার তাঁর সঙ্গে শপথ নিয়েছিলেন। কিন্তু এনসিপি, তাদের কৌশল পরিবর্তন করে। প্রসঙ্গত এরপরেই সরকার থেকে পদত্যাগ করেন অজিত পাওয়ার। এনসিপির সমর্থিত সরকারে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শিবসেনার উদ্ধব ঠাকরে।

৮০ ঘন্টার মধ্যেই অজিত পাওয়ারের পদত্যাগ

৮০ ঘন্টার মধ্যেই অজিত পাওয়ারের পদত্যাগ

দেবেন্দ্র ফড়নবিশ দাবি করেছেন, স্থায়ী সরকার তৈরি করতে এনসিপির তরফে প্রস্তাব ছিল। বিজেপির সঙ্গে সেই সরকার তৈরি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কথা বলার পরে তা নিয়ে এগনোও হয়। ফড়নবিশ দাবি করেছেন, কথা হয়েছিল শরদ পাওয়ারের সঙ্গেও। তবে তারপরেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়ে যায়। দেবেন্দ্র ফড়নবিশ সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেছেন, সবাই দেখেছেন, তারপর থেকে কীভাবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়। প্রসঙ্গত সরকার শপথ নেওয়ার ৮০ ঘন্টার মধ্যেই অজিত পাওয়ার পদত্যাগ করেন।

অস্বীকার শরদ পাওয়ারের

অস্বীকার শরদ পাওয়ারের

এদিকে দেবেন্দ্র ফড়নবিশের সব দাবি অস্বীকার করেছেন এনসিপি সুপ্রিমো শরদ পাওয়ার। দেবেন্দ্র ফড়নবিশকে সংস্কৃতিবান এবং ভদ্রলোক বলে বর্ণনা করে পাওয়ার বলেছেন, তিনি বিশ্বাসই করতে পারছেন না এমন একজন ব্যক্তি এমন মিথ্যার আশ্রয় নেবেন এবং বিবৃতি দেবেন।

তৎকালীন মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি

তৎকালীন মহারাষ্ট্রের রাজনৈতিক পরিস্থিতি

প্রসঙ্গত বলে রাখা ভাল ২০১৯-এর মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের ফল বেরোয় ২৪ অক্টোবর। সেখানকার ২৮৮ টি আসনের মধ্যে বিজেপি ১০৫ টি আসনে জয়ী হয়। অন্যদিকে তৎকালীন বিজেপির জোটসঙ্গী শিবসেনা পেয়েছিল ৫৬ টি আসন। সরকার গঠনের জন্য সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার পরেই ক্ষমতা ভাগাভাগি, বিশেষ করে মুখ্যমন্ত্রীর পদ নিয়ে বিজেপির সঙ্গে শিবসেনার মতপার্থক্য চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছয়। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয় যে, শিবসেনা আদর্শগতভাবে ভিন্ন কংগ্রেস এবং এনসিপির সঙ্গে আলোচনা শুরু করে।
তবে আলোচনায় কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে না আসায় ১২ নভেম্বর মহারাষ্ট্রে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা হয়। এর মধ্যে অবশ্য শিবসেনার সঙ্গে কংগ্রেস ও এনসিপির সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা চলতে থাকে। শরদ পাওয়ার উদ্ধব ঠাকরেকে মহারাষ্ট্রের নতুন মুখ্যমন্ত্রী করার ইঙ্গিত দেন। কিন্তু তারই মধ্যে ২৩ নভেম্বর সকালে হঠাৎই দেবেন্দ্র ফড়নবিশ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এবং অজিত পাওয়ার উপমুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে দেখা যায়। তবে সেই সরকারের আয়ু ছিল মাত্র তিন দিন। তারপরেই অবশ্য উদ্ধব ঠাকরে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

Notifications
Settings
Clear Notifications
Notifications
Use the toggle to switch on notifications
  • Block for 8 hours
  • Block for 12 hours
  • Block for 24 hours
  • Don't block
Gender
Select your Gender
  • Male
  • Female
  • Others
Age
Select your Age Range
  • Under 18
  • 18 to 25
  • 26 to 35
  • 36 to 45
  • 45 to 55
  • 55+