বৃহস্পতির কাছে পৌঁছবে ইসরোর স্যাটেলাইট, খুলে যাবে নতুন দিগন্ত
বৃহস্পতির কাছে পৌঁছবে ইসরোর স্যাটেলাইট, খুলে যাবে নতুন দিগন্ত
গগনযান এবং চন্দ্রযান ৩ নিয়ে আগেই কাজ শুরু করেছে ইসরো। এবার বৃহস্পতি গ্রহে উপগ্রহ পাঠানোর পরিকল্পনা করছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র।

২০২২ সালে অনেকগুলি পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করেছেন ইসরো। অন্যতম সৌর জগতের সবচেয়ে বড় গ্রহে উপগ্রহ পাঠানো। বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন , দিশা নামের জোড়া উপগ্রহ পাঠানোর কাজ করছেন তাঁরা। পাশাপাশি রয়েছে মিশন ভেনাস, ইসরোকনেস এবং তৃষ্ণা নামের আরও একটি মহাকাশ মিশন নিয়ে কাজ করছেন তাঁরা। ইসরোর প্রধান কে শিবন জানিয়েছেন, মিশন তৃষ্ণা বিভিন্ন স্থানের মাটির উষ্ণতা মাপার কাজ করবে। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানের ভূমির উষ্ণতা পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে তুলে ধরবে তৃষ্ণা'।
ইসরো এই বছরেই আরও একটি মিশন লঞ্চ করবে যার নাম এখনও ঠিক করা হয়নি। এটি ভারতের ৭৫তম স্বাধীনতা দিবসের আগেই লঞ্চ করা হবে বলে জানিয়েছেন কে.শিবন। বিজ্ঞানীরা এ নিয়ে জোরকদমে কাজ করছেন। ইসরো প্রধান জানিয়েছেন, আমাদের বিজ্ঞানীরা বিকাশ ইঞ্জিন, ক্রায়োজেনিক স্টেজ এবং ক্রু এস্কেপ সিস্টেম নিয়েও কাজ করছেন।
তাঁর কথায়, 'বিকাশ ইঞ্জিন, ক্রায়োজেনিক স্টেজ এবং ক্রু এস্কেপ সিস্টেমের কাজও প্রায় শেষ পর্যায়ে এসে পৌঁছেছে। এস ২০০ মোটর গ্রাউন্ড টেস্টিং শুরু হয়েছে। এর জন্য প্যারাশুট টেস্টও হয়ে গিয়েছে। এর জন্য মহাকাশচারীরা রাশিয়ায় বিশেষ প্রশিক্ষন নিচ্ছেন।
২০২২ সালে আর কী কী পরিকল্পনা রয়েছে ইসরোর? জানা গিয়েছে, আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট ৪ ও ৬ উৎক্ষেপণের পাশাপাশি একটি এসএসএলভি লঞ্চ করবে ইসরো। এদিকে আদিত্য এল ওয়ান মিশনের লুপ টেস্ট চলছে। পাশাপাশি সৌরযান তৈরির কাজও শেষ হয়ে গিয়েছে।
এদিকে মিশন গগনযানের কাজ এখন শেষ মুহূর্তে রয়েছে। এখন টেস্টিংযের কাজ চলছে। প্রসঙ্গত, ২০২১সালেই লঞ্চ হওয়ার কথা ছিল গগনযান এবং চন্দ্রায়ন ৩,কিন্তু লকডাউনের জেরে এগুলির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। চন্দ্রযান-৩-এর কোনও অরবিটার থাকবে না। যে অরবিটার চন্দ্রযান ২-তে ব্যবহার করা হয়েছিল সেটিই থাকবে চন্দ্রযান ৩এ। চন্দ্রযান ২ ভেঙে পড়েছিল চাঁদের বুকে। তাই এবার ইসরোর মূল লক্ষ্য তৃতীয় এই চন্দ্রাভিযানকে সফল করা।সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০২২সাল যে ভারতের মহাকাশ গবেষণা যে নতুন পর্যায়ে পৌঁছতে পারে তা বলা যেতেই পারে।












Click it and Unblock the Notifications