আপনার নাম কি ‘নীরজ’? তাহলে এ রাজ্যের পেট্রোল পাম্পে আপনার জন্য রয়েছে দারুণ সুযোগ
নীরজ চোপড়াকে সম্মান
একেই বলে নামের মাহাত্ম্য। নাম নীরজ হলেই দারুণ একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে পেট্রোল পাম্পে। গুজরাতের ভারুচে নীরজ নামের কেউ থাকলেই কেল্লা ফতে, কারণ স্থানীয় পেট্রোল পাম্পের মালিক ঘোষণা করেছেন যে তাঁকে ৫০১ টাকার পেট্রোল বিনামূল্যে দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে টোকিও অলিম্পিকে জ্যাভলিন থ্রোয়ে ভারতকে সোনা এনে দেওয়া নীরজ চোপড়ার জয়কে উদযাপন করবেন তাঁরা।

নেটরঙ্গ শহরের এসপি পেট্রোলিয়ামের মালিক আয়ুব পাঠান জানিয়েছেন যে সব 'নীরজ’দের ৫০১ টাকার বিনামূল্যে পেট্রোল দেওয়া হবে। তবে তাঁদের আগে নিজেদের পরিচয় পত্র দেখাতে হবে তবেই মিলবে এই সুবর্ণ সুযোগ। তবে এই সুযোগ সোমরার সন্ধ্যা পর্যন্তই ছিল।
পাঠান জানিয়েছেন এর মাধ্যমে তিনি সেই অ্যাথলিটের কীর্তি উদযাপন করতে চেয়েছিলেন যিনি ভারতের জন্য সম্মান অর্জন করেছেন। তিনি বলেন, 'নীরজ চোপড়ার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করতে, যিনি টোকিও অলিম্পিকে ভারতের জন্য সোনা জিতেছেন, আমরা নীরজ নামের সব ছেলেদের জন্য এই সুবর্ণ স্কিম এনেছিলাম। নীরজ নামের প্রমাণপত্র দেখাতে পারলেই ৫০১ টাকার পেট্রোল বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। নীর জ চোপড়া যখন সোনা জেতেন সেটা আমাদের কাছে খুবই গর্বের মুহূর্ত ছিল। আমরা রবিবার থেকে দু’দিনের এই স্কিম চালু করেছিলাম।’
রবি ও সোমবার এই দু’দিনে ৩০ জন নীরজ নামের ব্যক্তি এই সুযোগ পেয়েছেন। এই স্কিমের সুযোগ নিয়েছেন এমন একজন ব্যক্তি, যাঁর নাম নীরজ তিনি বলেন, 'প্রথমে ভেবেছিলাম এটা কোনও ভুয়ো ঘোষণা কিন্তু পেট্রোল পাম্পে পৌঁছে দেখি এটা সত্যি।’ প্রসঙ্গত, বর্তমান সময়ে পেট্রোল–ডিজেলের আকাশ ছোঁয়া মূল্যবৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রস্তাব সত্যিই হাতে চাঁদ পাওয়ার মতো। বর্তমানে গুজরাতে পেট্রোলের মূল্য ৯৮.৬৫ টাকা। এরকম অবস্থায় বিনামূল্যে পেট্রোল পাওয়ার প্রস্তাব সত্যিই স্বপ্নের মতো। তবে এই আশা পূরণ হয়েছে কেবলমাত্র নীরজ নামের ব্যক্তিদের। বাকিদের অবশ্য এই সুযোগ মেলেনি।
দেশে ফিরে দিল্লি বিমানবন্দরে নামার পর রাজকীয় সম্বর্ধনা এবং পরে অশোকা হলে সম্বর্ধনা। সদ্য অলিম্পিক্সের মঞ্চ থেকে ভারতের জন্য জ্যাভলিনে সোনা জেতার পর থেকে শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন নীরজ চোপড়া। সোমবার দেশে ফেরার পর সরকারের তরফে দেশের হয়ে টোকিও অলিম্পিক্সে পদকজয়ী সাত অ্যাথলিটকে সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। সেই অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন নীরজও। তিনি বলেন, 'আমি জানি যে বিশেষ কিছু করেছি। আমি মনে করি, ব্যক্তিগতভাবেও সবথেকে সেরা সাফল্য লাভ করেছি। থ্রো-টা সত্যিই খুব ভাল ছিল। পরের দিনেই আমার শরীর বুঝতে পেরেছিল কতটা স্পেশাল ছিল তা। সারা শরীর যন্ত্রণা করছিল। কিন্তু, কিছু মনে হয়নি। গোটা দেশের জন্য এই পদক।’












Click it and Unblock the Notifications