পুলিশ আধিকারিক নিয়োগেও বড়সড় কেলেঙ্কারি ফাঁস! গ্রেফতার IPS অমৃত পাল
বড়সড় নিয়োগ সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি ফাঁস! সাব ইনস্পেকটর পদে নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ। আর এই অভিযোগে অভিজ্ঞ আইপিএস এবং এডিজি অমৃত পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
বড়সড় নিয়োগ সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি ফাঁস! সাব ইনস্পেকটর পদে নিয়োগ নিয়ে কেলেঙ্কারি'র অভিযোগ। আর এই অভিযোগে অভিজ্ঞ আইপিএস এবং এডিজি অমৃত পালকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিয়োগ সংক্রান্ত কেলেঙ্কারি'র ঘটনায় ধৃত ওই পুলিশ আধিকারিকের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এমনটাই মনে করা হচ্ছে। আর এরপরেই অমৃত পালকে গ্রেফতার বলে জানা যাচ্ছে।

তবে এমন কেলেঙ্কারির ঘটনায় রাজ্যের প্রথম কোনও পুলিশ আধিকারিককে গ্রেফতার করা হল। যা নিয়ে সরগরম রাজ্য-রাজনীতি। তবে এই ঘটনা সামনে আসার পরেই সোমবার রাতেও অমৃত পালকে সাসপেন্ড করা হয়েছে।
যদিও এই মামলায় অমৃত পলকে চারবার জেরা করেছে অপরাধ তদন্ত বিভাগ। কর্ণাটক পুলিশ নিয়োগ প্রক্রিয়াতে বড়সড় ভূমিকা ছিল ধৃত অমৃত পালের। আর তা থাকাকালীন নিয়োগ নিয়ে বড়সড় এই কেলেঙ্কারি ঘটে। ঘটনার প্রথমদিন থেকেই কার্যত নজরে ছিলেন এই পুলিশ আধিকারিক। এমনকি সে রাজ্যের সিআইডি আধিকারিকরাও দফায় দফায় পুলিশকর্তাকে জেরা করে। আর এরপরেই গ্রেফতার। জানা গিয়েছে, গ্রেফতারের পরেই পুলিশ কর্তার শারীরিক পরীক্ষা করা হয়েছে।
আর এরপরেই আদালতে তোলা হলে অমৃত পালকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেয়। ১৩ দিনের পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। প্রায় ৩০ জন পরীক্ষার্থীকে অবৈধভাবে নিয়োগ হলেও তাঁরা শীর্ষস্থান দখল করে। জানা যায় পরে এই লোকেরা ওএমআর শীট কারচুপি করেছিল। আর সেই তদন্তের সূত্রেই সামনে আসে অভিজ্ঞ আইপিএস এবং এডিজি অমৃত পালের নাম। শুধু তাই নয়, ওই পরীক্ষারথীরা বেশ কয়েকজন পুলিশ আধিকারিক এবং দালালের সাহায্যে এই কাজ ঘটায় বলেও তথ্য সামনে আসে।
২০২১ সালে ৫৪৫ সাব ইন্সপেক্টর নিয়োগের জন্য ৫৪০০০ আবেদন করেন। যার জন্যে গোটা রাজ্যে ৯৩ সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল। জানুয়ারি মাসে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল ঘোষণা করা হয়। পরীক্ষা কেন্দ্র তৈরি সময়েই কারচুপির ঘটনায় শীর্ষ আধিকারিকরা ঘুষের টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
যদিও পুরো বিষয়টিই এই মুহূর্তে তদন্ত করে দেখছেন তদন্তকারী আধিকারিকরা। এমনকি ধৃত পুলিশ কর্তাকে জেরা করেও একাধিক তিথ্য পাওয়ার চেষ্টা করছেন আধিকারিকরা। এর সঙ্গে কারা কারা জড়িত এই সমস্ত বিষয়ে তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
তবে পুরো বিষয়টি নিয়ে সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি হলে সিআইডি তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। তদন্তে জানা যায়, পুলিশ নিয়োগ সেলই ছিল কেলেঙ্কারির কেন্দ্রবিন্দু। তদন্তকারীরা জানতে পারেন, কিছু পরীক্ষার্থী ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ দিয়েছিলেন। যাতে পরীক্ষা কেন্দ্রে বসে সহজেই নকল করতে পারে। শুধু পুলিশই নয়, এই কেলংকারিতে বেশ কিয়েকজন ছোট নেতাও জড়িত বলে দাবি তদন্তকারীদের।












Click it and Unblock the Notifications