রাজ্যে বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা রয়েছে, মূলধন সুনিশ্চিত! উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের আশ্বাস
একটা সময়ে বিনিয়োগে ভয় পেতেন বিনিয়োগকারীরা। তবে পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। তারপরেও মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে বিনিয়োগকারীদের আশ্বস্ত করতে দেখা গিয়েছে।
বিজেপি উত্তর প্রদেশে ক্ষমতায় এয়েছে ২০১৭ সালে। গেরুয়া শিবিরের দাবি তারপর থেকে উত্তর প্রদেশে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পরিবর্তন হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিনিয়োগও। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ বলেছেন, ২০১৭ সালের আগে উত্তর প্রদেশে বিনিয়োগ আনা কঠিন ছিল। কিন্তু এখন উত্তর প্রদেশে বিনিয়োগকারীদের নিরাপত্তা ও মূলধন নিশ্চিত।

গোরক্ষপুরে অঙ্কুর উদ্যোগের তৈরি ইস্পাত প্ল্যান্টের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, গ্লোবাল ইনভেস্টমেন্ট সামিটে ৩৩.৫০ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব প্রমাণ করে উত্তর প্রদেশের পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়াও রাজ্য যে সঠিক পথেই এগোচ্ছে তাও প্রমাণঁ দেয়। রাজ্য দেশের বৃহত্তম অর্থনীতিতে পরিণত হতে তৈরি বলেও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। উল্লেখ করা প্রয়োজন, গ্লোবাল ইনভেস্টর সামিটে বিনিয়োগে উত্তর প্রদেশ সরকারের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ লক্ষ কোটি টাকা। উত্তর প্রদেশের আইনশৃঙ্খলা, নীতি, এবং ব্যবস্থায় প্রভাবিত হয়ে বিনিয়োহকারীরা ৩৩.৫০ লক্ষ কোটি টাকার বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।
মুখ্যমন্ত্রী ২০১৭ সালের আগে রাজ্যে সমাজবাদী পার্টির শাসনের সময়ের কথা উল্লেখ করে বলেছেন, সেই সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির খারাপ হওয়ার কারণে বিনিয়োগ আসা কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আর এখন রাজ্য সরকার বিনিয়োগকারীদের মূলধনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুরো বিষয়টি নির্ভর করে কী ভাবে ভবিষ্যত গড়া হবে তার ওপরে। চিন্তাভাবনা আর পদ্ধতির ওপরে নির্ভর করে পুরো পরিস্থিতি। তিনি বলেন, যদি নিরাপত্তা থাকে, কোনও বৈষম্য না থাকে, চিন্তার ইতিবাচক দিক থাকে, তাহলে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া যায়।
বিনিয়োগের প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করার জন্য জনগণের কাছে আবেদনও জানান মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, রাজ্যের সমৃদ্ধি ও উন্নয়নের জন্যই বিনিয়োগকে উৎসাহিত করা উচিত। তিনি রাজ্যের আইটিআই, পলিটেকনিক এবং কলেজের যুবকদের শিল্প শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত করার ওপরেও জোর দিয়েছেন।
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, বিনিয়োগ বাড়ানোর লক্ষ্যে গোরখপুর এবং ঝাঁসিতে দুটি নতুন শিল্প এলাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে এবারের বাজেটে। এই বিনিয়োগ রাজ্যে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা বাড়াবে অন্যদিকে রাজ্যের যুবকদের পরিযায়ী হওয়াও বন্ধ হবে বলে মনে করেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, সরকার যুবকদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন শিল্পে জিএসটিতে বড় ছাড় দিচ্ছে।
এর আগে রাজ্যের উন্নয়নের দিকে লক্ষ্য রেখে যেমন নতুন ক্রীড়ানীতির কথা ঘোষণা করা হয়েছে, অন্যদিকে পরিকাঠামো উন্নয়নে আরও জোর দেওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ ঘোষণা করা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications