তদন্তকারী অফিসার দ্বিচারী! দিল্লি হিংসা নিয়ে মামলা পাঠানো হল পুলিশ কমিশনারের কাছে
উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে ২০২০ সালে হিংসার ঘটনার তদন্তকারী অফিসারকে দ্বিচারী অ্যাখ্যা দিয়ে মামলাগুলি পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পুলিশ কমিশনারর সঞ্চয় অরোরার কাছে। পাশাপাশি ওই তদন্তকারী আধিকারিকের আচরণের মূল্যায়নেরও নির্দেশ দিয়েছে দিল্লির একটি আদালত।
তদন্তে গাফিলতির অভিযোগ করে অতিরিক্ত দায়রা জজ পুলস্ত্য প্রমাচালা তদন্তকারী অফিসারের সমালোচনা করেছেন। তিনি বলেছেন, বিভিন্ন অভিযোগের ক্ষেত্রে কোনও তদন্তকারী কর্তার ভিন্ন ভিন্ন প্যারামিটার গ্রহণের কোনও যৌক্তিকতা তিনি খুঁজে পাচ্ছেন না। আদালতের তরফে তদন্তকারী অফিসারকে প্রমাণের ক্যালেন্ডার তৈরি করতে সময় দেওয়া হলেও গাফিলতি করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে আদালত।

দয়ালপুর থানার প্রাক্তন আপ কাউন্সিলর তাহিল হুসেনের ভাই শাহ আলম, রশিদ সাইফি, মহম্মদ, শাদাব, হাবিব, ইরফান, সুহেল, সেলিম, এরশাদ ও আজহারের বিরুদ্ধে এফআইআর ৯৮/২০২০-তে হিংসা ও বেআইনি সমাবেশের অপরাধ নথিভুক্ত করা হয়েছিল। মামলার আসামীরা সবাই জামিনে রয়েছেন। কিন্তু ঘটনার স্থান ও সময়ের কাছাকাছি থাকার অজুহাতে তদন্তের জন্য অভিযোগগুলি একত্রিত করা হয়েছে।
পুলিশ আধিকারিককে টেনে নিয়ে বিচারক বলেছিলেন, তদন্তকারী অফিসার কেবলমাত্র তিনটি ঘটনার সাইট প্ল্যান তৈরি করেছিলেন। কিন্তু অন্য ঘটনার ক্ষেত্রে তা তৈরি করেননি। যদিও তদন্তকারী অফিসার আদালতের দাবি করেছিলেন, তিনি সব জায়গা পরিদর্শন করেছিলেন। আদালতের পর্যবেক্ষণ, বিভিন্ন অভিযোগের ক্ষেত্রে তদন্তের দুটি ভিন্ন পদ্ধতি গ্রহণের ন্যায্যতা নিয়ে তিনি তেমন কোনও যুক্তি দিতে পারেননি।
এক সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদেন অনুযায়ী, আদালত মনে করছে তদন্ত সঠিকভাবে হয়নি। প্রমাণের ক্যালেন্ডার তৈরি করার অনুশীলনও খোলা মন দিয়ে করা হয়নি। প্রতিটি মামলার তদন্ত করা একজন ডিসিপির কাজ না হলেও, তদন্তকারী অফিসারের দ্বারা সেই কাজ না হওয়ায় এই কাজগুলির জন্য তাঁকে আবার বোঝা নিতে হবে।












Click it and Unblock the Notifications