দিল্লিতে কৃষক প্রতিবাদের তিনটি সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের মেয়াদ বাড়ল
দিল্লিতে কৃষক প্রতিবাদের তিনটি সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধের মেয়াদ বাড়ল
প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন কৃষকদের ট্র্যাক্টর প্যারেডকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে দিল্লির একাংশ। শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ রূপ নেয় হিংসাত্মক ঘটনায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক প্রথমেই ইন্টারনেট বন্ধ করে দেয়। তবে জানা গিয়েছে, সিংঘু, গাজিপুর ও টিকরি দিল্লির এই তিন সীমান্তে ইন্টারনেট বন্ধের মেয়াদ বাড়িয়ে ২ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা পর্যন্ত করা হয়েছে। ৩০ জানুয়ারি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক থেকে ঘোষণা করা হয় যে নতুন কৃষি আইন নিয়ে প্রতিবাদরত কৃষকরা যেখানে আন্দোলন করছেন, দিল্লির তিন সীমান্ত ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে রাখা হবে। এর আগে ৩১ জানুয়ারি রাত ১১ টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা ছিল।

সরকারি কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে টেলিকম পরিষেবা অস্থায়ী স্থগিতাদেশ বিধির অধীনে 'জননিরাপত্তা সুরক্ষা বজায় রাখা এবং জনসাধারণের জরুরি অবস্থা রক্ষা করার’ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রবিবার হরিয়ানা সরকারের পক্ষ থেকেও রাজ্যের ১৪টি জেলায় ১ ফেব্রুয়ারি বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হয়। যাতে কৃষক প্রতিবাদের জন্য শান্তি–শৃঙ্খলা বিঘ্নিত না হয়। সরকারি বিবৃতি অনুযায়ী, আম্বালা, কুরুক্ষেত্র, কর্নাল, কৈঠাল, পাণিপথ, হিসার, ঝিন্দ, রোহতক, ভিওয়ানি, সিরসা, ফতেহাবাদ, চরখি দাদরি, সোনিপথ ও ঝাঁধরে সোমবার বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত ইন্টারনেট বন্ধ রাখার মেয়াদ বাড়ানো হয়।
কেন্দ্রের তিন কৃষি আইন সংস্কারের দাবিতে ২৬ জানুয়ারি দিল্লিতে কৃষকদের ট্র্যাক্টর প্যারেড হিংসাত্মক ঘটনায় পরিণত হয়। হাজার হাজার কৃষকের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। অনেক প্রতিবাদী কৃষক ট্র্যাক্টর নিয়ে লালকেল্লায় পৌঁছে যান এবং কেল্লার মধ্যে প্রবেশ করেন।












Click it and Unblock the Notifications