ঘোড়া কেনাবেচার শঙ্কা! রাজ্যসভা ভোটের আগে ১২ ঘণ্টা বন্ধ রাজস্থানের ইন্টারনেট পরিষেবা
ঘোড়া কেনাবেচার শঙ্কা! রাজ্যসভা ভোটের আগে ১২ ঘণ্টা বন্ধ রাজস্থানের ইন্টারনেট পরিষেবা
শুরু হয়ে গিয়েছে রাজ্যসভার ভোটগ্রহন। তারইমধ্যে রাজস্থানে শুরু হয়ে গিয়েছে টানাপোড়েন। ঘোড়াকেনাবেচার আশঙ্কায় রাজস্থানের আমেরে ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকল ইন্টারনেট পরিষেবা। রাজস্থানের জয়পুরের আমেরের কাছে লীলা প্যালেসে রাখা হয়েছে কংগ্রেসের বিধায়কদের।

সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়েছে রাজ্যসভার ভোটগ্রহন। কোনও রকম ঘোড়াকেনা বেচা যেন না হয় সেকারণে রাজস্থানের জয়পুরে আমেরের কাছে লীলা প্যালেসে গত ২ দিন ধরে রাখা হয়েছিল কংগ্রেসের বিধায়কদের। লীলা প্যালেসের ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল গতকাল রাত থেকে। নয় নয় করে ১২ ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। শুক্রবার সকাল ৯ টা পর্যন্ত ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ ছিল রাজস্থানের আমেরে। কারণ ঘোড়াকেনাবেচার আশঙ্কা করছিলেন কংগ্রেস নেতারা।

রাজ্যসভার ভোটাভুটি শুরু হওয়ার আগে বিধায়কদের বিধানসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। েসখানে ভোট দেন তাঁরা। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটও ভোট দিয়েছেন সেখানে। রাজস্থানের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সভা ভোট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। রাজস্থানে সরকার গঠন নিয়ে এভাবেই রিসর্টে রাখা হয়েছিল বিধায়কদের। এমনকী কর্নাটকে কংগ্রেস সরকার গঠনের সময়ও একই ভাবে কংগ্রেসের বিধায়কদের রাজস্থানে উড়িয়ে নিয়ে এসে রিসর্টে রাখা হয়েছিলে। কেন্দ্রে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর থেকে রাজনীতিতে ঘোড়াকেনা বেচার চল শুরু হয়েছে। কর্নাটক, হরিয়ানা সহ একাধিক রাজ্যে এভাবেই সরকার গড়ার আগে ঘোড়াকেনা বেচা চলেছে এমনকী মহারাষ্ট্র এবং মধ্যপ্রদেশেও কংগ্রেস একই পন্থা নিয়েছিল। কিন্তু রাজ্যসভা ভোটে এই ধরনের ঘটনা নজিরবিহীন বলে মনে করা হচ্ছে।
শুধু কংগ্রস নয় কর্নাটকে জেডিএসও একই ভাবে ভোটের আগের দিন বিধায়কদের রিসর্টে এক প্রকার আটকে রেখেছিল। বিজেপির হাত থেকে বিধায়কদের ভোট বাঁচাতেই এটা করা হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন জেডিএস কুমারস্বামী। তার পরেও এক বিধায়ক কংগ্রেসকে ভোট দিয়েছেন।












Click it and Unblock the Notifications