সোশ্যাল মিডিয়ায় চিকিৎসককে অপমান? সাবধান না হলে জেল-জরিমানা উভয়ই হতে পারে
দেশের মধ্যে অন্তত একটি সরকারকে চিকিৎসক, চিকিৎসাকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে দেখা গেল। কর্নাটক সরকার স্বাস্থ্য পরিষেবা কর্মীদের ইচ্ছাকৃত অপমানের শাস্তি দিতে বিল পাশ করেছে। এই তালিকায় চিকিৎসক ছাড়াও নার্স, মেডিক্যাল ছাত্র, প্যারামেডিক্যাল কর্মীরা রয়েছেন।
সারা দেশেই চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীরা তাদের বিরুদ্ধে হওয়া হিংসা ও অপমান নির্মূল করতে কঠোর আইনের দাবি করে আসছেন। ভুল চিকিৎসায় রোগী মৃত্যুর অভিযোগে অধিকাংশ সময়ে রোগী এবং তাঁদের আত্মীয়রা চিকিৎসক কিংবা স্বাস্থ্যদের ওপরে হামলায় অভিযুক্ত। এই ঘটনা শুধু বাংলাতেই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গায় হচ্ছে।

এই অপমান সরাসরি হতে পারে, সোশ্যাল মিডিয়া মারফত হতে পারে কিংবা অননুমোদিত অডিও বা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের মাধ্যমে হতে পারে। বিশেষ করে যে সময় তাঁরা দায়িত্ব পালন করছেন।
কর্নাটক মেডিক্যাল রেজিস্ট্রেশন অ্যান্ড সার্টেন আদার ল (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৪-এ বলা হয়েছে, ইচ্ছাকৃত অপমান মানে কোনও মেডিকেয়ার সার্ভিস কর্মীদের অপমান, অসম্মান, বিরক্ত করার উদ্দেশে শব্দ, চিত্র কিংবা অঙ্গভঙ্গি করা হয় কিংবা এর মাধ্যমে তাঁদের সম্বোধন করা হয়। পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া কিংবা ভিডিও রেকর্ডিংয়ের বিষয়কে এব্যাপারে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিলে আরও বলা হয়েছে, কেউ দোষী সাব্যস্ত হলে তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড এবং দশ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।
আইনের ধারা উল্লেখ করা বলা হয়েছে, থ্রি, থ্রিএ এবং ফোর এ-র অধীনে সংগঠিত যে কোনও অপরাধ আমলযোগ্য এবং অজামিনযোগ্য বলে বিবেচিত হবে।












Click it and Unblock the Notifications