বাড়তি ঋণের নির্দেশ! কৃষক, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পাশে দাঁড়াতে নয়া বার্তা ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর
বাড়তি ঋণের নির্দেশ! কৃষক, স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পাশে দাঁড়তে নয়া বার্তা ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর
করোনাকালে গোটা বিশ্বের পাশাপাশি ধুঁকছে ভারতীয় অর্থনীতিও। এমতাবস্থায় এবার করোনা সঙ্কটে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ব্যাঙ্কগুলিকে বিশেষ নির্দেশ দিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়ক। মহিলা চালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠী, ক্ষুদ্র-ছোটো ও মাঝারি শিল্প সংস্থা, কৃষক, যাদের আয় ব্যায়ের একটা বড় অংশই ব্যাঙ্ক ঋণের উপর নির্ভরশীল তাদের জন্য মূলত এই নয়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

ব্যাঙ্কগুলির জন্য নয়া নির্দেশ ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর
বৃহঃষ্পতিবার রাজ্যের একাধিক ব্যাঙ্ক এবং জেলা সংগ্রাহক প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে একটি ভার্চুয়াল সভায় একথা জানান মুখ্যমন্ত্রী। এই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে নবীন পট্টনায়ক বলেন, " সরকার সর্বত ভাবে চেষ্টা করথে মন্দা কাটিয়ে দেশীয় অর্থনীতিতে স্বাভাবিক ছন্দে নিয়ে যাওয়ার। এই ক্ষেত্রে আমাদের সকলকেই একযোগে কাজ করতে হবে। আর সেই জন্য সমাজের যে অংশের মানুষ আদপে ব্যাঙ্ক ঋণের উপর নির্ভর করে জীবন-জীবিকা নির্বাহ করেন তাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যাঙ্ক গুলিকেই এগিয়ে আসতে হবে।"

কৃষক সহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণির মানুষের পাশে থাকার বার্তা
এখানেই না থেমে ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীকে আরও বলতে শোনা যায়, " কৃষক, মিশন শক্তি গোষ্ঠী, ক্ষুদ্র-ছোট ও মাঝারি সংস্থার কর্মীরাই আমাদের আসল উদ্যোগপতি। এদিকে এই তীব্র সঙ্কটের সময় নিজেদের পায়ের উপর দাঁড়িয়ে থাকলে গেলে তারা প্রায় সম্পূর্ণ অর্থেই ব্যাঙ্ক লোনের উপর নির্ভরশীল। আর তাদের হাতেই আদপে শক্তিশালী হয় ভারতের অর্থনীতি। তাই দেশীয় অর্থনীতির শ্রীবৃদ্ধির জন্য আমাদের তাদেরকে সর্বতোভাবে সাহায্য করতেই হবে।"

পুরষ্কৃত করা হবে ব্যাঙ্কগুলিকে
শুধু তাই নয় এই ক্ষেত্রে যে ব্যাঙ্গগুলি অগ্রগন্য ভূমিকা নেবে তাদেরকেও আলাদা ভাবে পুরষ্কৃত করা হবে বলেও জানান নবীন পট্টনায়ক। একই সাথে তাদের রিপোর্ট কার্ডও পাঠানো হবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকে। পাশাপাশি গত দু-সপ্তাহব্যাপী রাজ্যজুড়ে একাধিক ব্যাঙ্কের ঋণ প্রকল্পে যে ভাবে কাজ এগিয়েছে তাতেও তিনি যথেষ্টই সন্তুষ্ট বলে জানান ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী।

করোনাকালীন তীব্র মন্দার গ্রাসে রাজ্যের অর্থ ব্যবস্থা
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই ক্ষুদ্র-ছোট ও মাঝারি সংস্থাগুলিকেই কার্যত রাজ্যের অর্থ ব্যবস্থার মেরুদন্ড হিসাবে মনে করেন অর্থনীতিবিদেরা। তাদের হাতেই প্রত্যেক বছর লক্ষ লক্ষ কর্মসংস্থান তৈরি হয় দেশীয় বাজারে। নতুন করে অক্সিজেন পায় জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার। কিন্তু করোনা ধাক্কায় তীব্র মন্দার করাল গ্রাসে চলে যায় সামগ্রিক ক্ষেত্রটিই। তাই ঋণ ও সরকারি ভাবে আর্থিক সাহায্য ছাড়া কোনোভাবেই যে পুরনো স্থিতাবস্থা ফেরানো সম্ভব নয় তা দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছিলেন বিশেষজ্ঞরা। এবার যেন সেই কথাকেই কার্যত মান্যতা দিলেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী।












Click it and Unblock the Notifications