শুধু পশ্চিমবঙ্গেই নয়, আরও দুই রাজ্যের সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা! BSF-এর হাতে গ্রেফতার বহু বাংলাদেশি
গত দুই তিন দিন ধরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে জলপাইগুড়ি কিংবা কোচবিহার সীমান্তের ছবি প্রকাশিত হয়েছে। যেখানে হাজার হাজার বাংলাদেশি ভারতের ঢোকার সুযোগের অপেক্ষায় রয়েছেন। তবে শুধু এই বাংলাতেই নয়, দেশের আরও দুই রাজ্য ত্রিপুরা ও মেঘালয় সীমান্তেও বাংলাদেশিরা ভারতে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছেন।
সেই পরিস্থিতিতে সদা সতর্ক সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অর্থাৎ বিএসএফ। তারা বাংলা ছাড়াও ত্রিপুরা ও মেঘালয় সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশের সময় ১১ বাংলাদেশিকে গ্রেফতার করেছে। এঁদের মধ্যে দুইজন করে বাংলা ও ত্রিপুরার সীমান্তে এবং সাত জনকে মেঘালয় সীমান্ত থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

- তুলে দেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট রাজ্যগুলির হাতে
বিএসএফের এক মুখপাত্র জানিয়েছে, অনুপ্রবেশকারীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য তাঁদেরকে সংশ্লিষ্ট রাজ্য পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হবে। বিএসএফের ওই মুখপাত্র আরও জানিয়েছেন, বিএসএফ সমস্যা সমাধানের জন্য বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলেছে। বিশেষ করে ভারতীয় নাগরিক এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপরে হিংসা প্রতিরোধ নিয়ে এই যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।
- অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে বিএসএফ
সীমান্ত রক্ষী বাহিনী গত কয়েকদিন থেকে বিভিন্ন জায়গায় বিজিবির সহায়তায় বেস কয়েকটি অনুপ্রবেশের চেষ্টা ব্যর্থ করেছে এবং হাজার হাজার বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠিয়েছে। দক্ষিণবঙ্গ ফ্রন্টিয়ার এক বিবৃতিতে বলেছে, পূর্ব কমান্ডের এডিজি রবি গান্ধী শনিবার বাংলাদেশের বর্তমান অস্থিরতার মধ্যে এবং আসন্ন স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সীমান্ত নিরাপত্তা পর্যালোচনা করতে একটি বৈঠক করেছেন।
- সীমান্তে হাই অ্যালার্ট
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় চার হাজার কিমি সীমান্ত রয়েছে। পাঁচটি রাজ্য বাংলা, ত্রিপুরা, অসম, মেঘালয় ও মিজোরামের সঙ্গে থাকা বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষায় বিএসএফ মোতায়েন রয়েছে। পাঁচ অগাস্ট হাসিনা সরকারের পতনের পর থেকে প্রতিবেশী দেশে অশান্তির কারণে সীমান্তে হাই অ্যালার্ট জারি করেছে ভারত সরকার। পাশাপাশি বিএসএফের তরফে তাদের কর্মীদের বলা হয়েছে, বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ যাতে না হয়, তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনে মারাত্মক নয় এমন অস্ত্র ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে।
- ভারত সরকারের বিশেষ কমিটি
প্রসঙ্গত উল্লেখ করা যেতে পারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পরে বাংলাদেশে থাকা ভারতীয় এবং সেখানকার সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত সমস্যাগুলি খতিয়ে দেখতে বিএসএফের এডিজির নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করেছে।












Click it and Unblock the Notifications