1971 Indo-Pak War: হাতে পেয়েও একাধিক অঞ্চল পাকিস্তানকে ফিরিয়ে দেন ইন্দিরা গান্ধী! কেন জানেন?
1971 Indo-Pak War: পহেলগাঁও'তে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ জঙ্গি হানায় কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ। আর এরপরেই প্রত্যাঘাতের দাবি উঠছে দেশজুড়ে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বক্তব্যেও সেই ইঙ্গিত ধরা পড়েছে। এখনও পর্যন্ত যা গুঞ্জন পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নাকি অল আউট অপারেশনের পথে হাঁটতে পারে নরেন্দ্র মোদী সরকার। আর সেই ইঙ্গিত ইতিমধ্যে সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছে বলেও খবর।
আর এরপরেই দেশের তিন বাহিনী অর্থাৎ স্থলসেনা, বায়ুসেনা এবং ইন্ডিয়ান নেভি একেবারে জোর কদমে মহড়া শুরু করে দিয়েছে। পাল্টা শিমলা চুক্তি (Shimla Agreement) থেকে বেরিয়ে এসেছে পাকিস্তানও। যা ১৯৭১ সালে ভারতের কাছে পাকিস্তান পরাজয়ের (1971 Indo-Pak War) পর করা হয়েছিল। ইন্দিরা গান্ধী সিমলায় বসে ঐতিহাসিক এই চুক্তি করেন। সীমান্তে বাড়ছে উত্তেজনা। আর এর মধ্যেই ৭১ এর যুদ্ধের একের পর এক ঘটনা স্মৃতি তাজা হয়ে উঠছে।

জানা যায়, ধর্মীয় স্থান হিসাবে গুরুত্বপূর্ণ কর্তাপুর সাহিব (Kartarpur Sahib) একটা সময় ভারতের অংশ ছিল। কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বলছেন, এটাই হারানো জমি ফিরে পাওয়ার সঠিক সময়। যদিও এটি একান্ত ব্যক্তিগত মতামত বলে উল্লেখ করেছেন বর্ষীয়ান এই কংগ্রেস নেতা। বর্তমান ভারত-পাক সংঘাতের আবহে অনেকেরই মনে পড়ছে ১৯৭১ সালের শীতে কীভাবে পাকিস্তানকে হারিয়ে তাদের ১৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার জায়গা ছিনিয়ে নেয় ভারত।
স্বল্প সময়ের গুরুত্বপূর্ণ সেই যুদ্ধে ৯৩ হাজার পাক সেনা ভারতীয় সেনার সামনে আত্মসম্পরন করে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এত সংখ্যক সেনার আত্মসমপরন করার ঘটনা ছিল এটাই প্রথম। সেই সময় ভারতের হাতে চলে আসে পাকিস্তানের পাঞ্জাব, সিদ্ধ প্রদেশের কিছু অংশ। একই সঙ্গে বালতিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের একাধিক অংশ দখল করে নেয় ভারত। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী আধিপত্যের থেকে বেশি গুরুত্ব দেন কু্টনীতিকেই।
১৯৭২ সালে সাক্ষরিত হয় শিমলা চুক্তি। এরপর ভারত সেই দখল করা সব জমি ফেরত দিয়ে দেয়। এবং বন্দিদের মুক্ত করে দেয়। ইন্দিরা গান্ধী সেই সিদ্ধান্ত যখন গোটা বিশ্বজুড়ে প্রশংসা পেয়েছিল তখনও তাঁকে বিতর্কের মধ্যে পড়তে হয় দেশের মধ্যে। বিশেষজ্ঞরা মনে করেন গুরুত্বপূর্ণ কর্তাপুর সাহিব (Kartarpur Sahib) এর মতো অঞ্চল ভারত রেখে দিতে পারত। অথবা কাশ্মীর সমস্যার এক্টা স্থায়|ী সমাধান দাবি করতে পারত।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশে যখন পাক সেনা নৃশংস হামলা শুরু করেছিল, সেই সময় ভারত শরণার্থীদের জন্য দরজা খুলে দিয়েছিল। পরে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করে ভারত। ৭১ সালের ৩ দিসেম্বর ভারতের এয়ারবেসে হামলা চালায় পাকিস্তান। এরপর ১৩ দিন পরপর হামলা চালিয়ে যায় পাকিস্তান।
বায়ুসেনা কিংবা ভারতীয় নৌবাহিনী যে অভিযান চালায় তাতে ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যেই আত্মসম্পন করতে হয় পাকিস্তানকে। পূর্ব পাকিস্তান ভেঙে তৈরি হয় বাংলাদেশ। সেই সময় ভারত অধিক ক্ষমতাশালী হলেও কূটনীতিতেই জোর দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। কেউ বলেন ওই সিদ্ধান্ত না নিলে ভারত চিরস্থায়ী ভাবে ক্ষমতা নিজের হাতেই রাখতে পারত। আবার কেউ বলেন, আন্তজাতিক ক্ষেত্রে সমালোচনা এড়াতেই এই সুইদ্ধান্ত নেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী।
-
ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ চরমে, গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি মার্কিন যুদ্ধবিমানে হামলা, নিখোঁজ চালক -
অধীর চৌধুরীর প্রচারে উত্তেজনা বহরমপুরে, কংগ্রেস-তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ -
মমতার হেলিকপ্টারের সামনে উড়ল রহস্যময় ড্রোন, মালদহে উত্তেজনা -
শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়ন ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ৩৮ জনকে তলব পুলিশের -
ভোটারদের সুবিধার্থে রাজ্যজুড়ে ৪,৬৬০টি নতুন বুথ তৈরির সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের -
ভবানীপুরে অশান্তির জেরে চার পুলিশ আধিকারিককে সাসপেন্ড নির্বাচন কমিশনের -
'বাংলাকে বৃদ্ধাশ্রম বানাতে দেব না', বাংলার ক্রীড়া পরিকাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে উন্নয়নের ডাক লিয়েন্ডার পেজের -
খড়্গপুর সদরের প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিলীপ ঘোষের, সঙ্গী শুভেন্দু অধিকারী -
ইরান যুদ্ধের মাঝেই মাথায় হাত শাহবাজ শরিফের, এপ্রিলেই আমিরশাহীকে ৩৫০ কোটি ডলার ঋণ শোধ দিচ্ছে পাকিস্তান -
জ্বালানি সংকট! বাংলাদেশে অফিস ও দোকানের সময় কমানোর পাশাপাশি বিয়ের আলোকসজ্জাতেও বিধিনিষেধ -
বামফ্রন্টের ইস্তেহার প্রকাশ! বিনামূল্যে বিদ্যুৎ, প্রতি পরিবারে স্থায়ী চাকরি সহ একাধিক প্রতিশ্রুতির ঘোষণা বিমান বসুর -
অসম বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬: এনডিএ-র বিরাট জয়ের ইঙ্গিত নতুন জনমত সমীক্ষায়











Click it and Unblock the Notifications