Food Inflation: ভোজ্য তেল থেকে শাকসবজি, খাদ্যদ্রব্য কিনতে নাভিঃশ্বাস শহরে; অর্থনীতিতে ঘোর সংকটের আশঙ্কা
Food Inflation: চড়া হয়েছে সবজির দাম। খাদ্যদ্রব্যের দামেও (Food Price) হেঁশেলে আগুন। ১৪ মাসে সর্বোচ্চ হয়েছে খুচরো মুদ্রাস্ফীতি (Retail Inflation)। আগামী দিনে খাদ্যপণ্যের দাম আরও বাড়তে চলেছে বলে দিনকয়েক আগেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন রিজার্ভ ব্যাঙ্কের গভর্নর শক্তিকান্ত দাস। সেই আশঙ্কাই সত্যি হল।
মূলত শাকসবজি, ফল ও ভোজ্য তেলের মূল্যবৃদ্ধির জেরে অক্টোবর মাসে বেড়েছে খাদ্য় মুদ্রাস্ফীতির হার। যার জেরে ফাস্ট ফুড থেকে ঘরের মুদিখানা, সবেতেই বাজেটে কাটছাঁট করছেন মধ্যবিত্তরা (Middle Class)। ভারতের শহরাঞ্চলে এই প্রবণতা সবচেয়ে বেশি লক্ষ্য করা গিয়েছে। মধ্যবিত্তদের এই ব্য়য়সংকোচনের জেরে মহাসঙ্কটে পড়তে পারে ভারতের অর্থনীতি।

খুচরো মুদ্রাস্ফীতির জেরে ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে খাদ্য প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলিও (Food Chains)। ভারতের শহরাঞ্চলগুলিতে গত তিন থেকে চার মাসে খাদ্যসামগ্রীর উপর ব্যয় কমিয়েছেন মধ্যবিত্তরা। যার জেরে লোকসানে চলছে একাধিক খাদ্য প্রস্তুককারক সংস্থা। যদিও গ্রামাঞ্চল ও ছোট শহরে এই প্রবণতা খানিকটা কম বলে মত অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের।
অতিমারির শেষ থেকে ভারতের অর্থনীতিতে যেটুকু শ্রীবৃদ্ধি হয়েছে, তা মূলত শহরাঞ্চলের ভোগব্যায়ের ফলেই। কিন্তু ২০২৪ এর শেষের দিকে কার্যত ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়েছে পরিস্থিতি। ২০২০-র পর বিগত ৪ বছরে মুনাফা কমেছে কিটক্যাট-সহ একাধিক খাদ্যদ্রব্য প্রস্তুতকারক নেসলের (Nestle)।
রাজনৈতিক হোক বা অর্থনৈতিক, ভারতে মধ্যবিত্তদের ভূমিকা কার্যত নীতি নির্ধারকের কাজ করে। চুলের তেল থেকে চা পাতা, সবেতেই সস্তা দ্রব্যের দিকে ঝুঁকছেন বড় শহরের বাসিন্দারা। খাদ্যদ্রব্য ও মুদিখানার অন্যান্য দ্রব্য প্রস্তুতকারক সংস্থা হিন্দুস্তান ইউনিলিভার জানিয়েছে একথা। প্রত্যাশিত আয়ের থেকে কম মুনাফা অর্জন হয়েছে বলেও জানান সংস্থার চিফ এক্সিকিউটিভ রোহিত জাওয়া।
শুধু খাদ্যদ্রব্য কেনাই নয়, রেস্তোরাঁ ও অনলাইনে খাবার কেনাতেও কাটছাঁট করছে শহরবাসী। আয়ে কোপ পড়েছে ম্যাক ডোনাল্ডস, বার্গার কিং, পিৎজা হাট ও কেএফসির মতো সংস্থাগুলিতে। উৎসবের মরশুমেও তেমন খরচই করেননি ক্রেতারা। এমন পরিস্থিতিতে ২০২৫-র মার্চে নির্ধারিত অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ভারত ছুঁতে পারবে কিনা, তা নিয়ে সন্দিহান অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।












Click it and Unblock the Notifications