Indian Railway: বাংলাদেশ হয়ে ভারতের এই সাত রাজ্যে ছুটবে ভারতীয় রেল! চোখের পলকে পৌঁছে যান গন্তব্যে
Indian Railway: রেল ট্রানজিট চুক্তির মাধ্যমে আরও কাছাকাছি আসছে ভারত এবং বাংলাদেশ! ট্রান্স এশিয়ান নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত হচ্ছে দু'দেশের রেলওয়ে। আর এর ফলে বাংলাদেশের ভুখন্ডকে ব্যবহার করে ছুটতে পারবে ভারতীয় রেল।
একই ভাবে নেপাল-ভুটানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ রেলওয়ে ভারতের ভুখন্ডকে (Indian Railway) ব্যবহার করতে পারবে। এক্ষেত্রে ভারত এবং বাংলাদেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য করা যেমন সুবিধা হবে। তেমনই দু'দেশের পর্যটনের মধ্যে পর্যটনেও গতি আসবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ভারত এবং বাংলাদেশের প্রস্তাবিত চুক্তিতে ১২টি রুটের (Indian Railway) কথা বলা হয়েছে। আর সেই রুটকে ব্যবহার করে ভারতের ট্রেন বাংলাদেশের উপর দিয়ে সাত রাজ্যের মধ্যে যাবে। এক্ষেত্রে দূরত্ব এবং সময় অনেকটাই কমে যাবে বলে আসা রেল আধিকারিকদের। অন্যদিকে বাংলাদেশের রেল বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক সরদার সাহাদাত আলীর কথা অনুযায়ী, ভারতও তাদের রেল পথ খুলে দেবে। আর তা ব্যবহার করে বাংলাদেশের ট্রেন একেবারে নেপাল-ভুটার পর্যন্ত পৌঁছে যাবে।
বলে রাখা প্রয়োজন, প্রতিবেশী নেপাল এবঙ্ঘ ভুটান বাংলাদেশের সঙ্গে দীর্ঘ বছর আগে ট্রানজিট চুক্তি করেছিল। কিন্তু তা খুব একটা সফল হয়নি। কারণ সেই সময় ভারতের ভুখন্ড ব্যবহার করতে পারেনি বাংলাদেশ রেলওয়ে। ফলে দুই দেশের সঙ্গে হওয়া চুক্তি মুখ থুবড়ে পড়ে। এই অবস্থায় নতুন করে আশার আলো তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ভারত সফরে আসেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠক হয়। বৈঠক শেষে দু'দেশের মধ্যে একাধিক চুক্তি হয়। আর সেই চুক্তির একেবারে প্রথমেই রয়েছে রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে নতুন ট্রেন সার্ভিস (Indian Railway) চালুকরণ এবং ভারতীয় রেল করিডোর নিয়ে নয়া চুক্তি।
এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ ৭৭ বছর পর রাজশাহী ও কলকাতার মধ্যে পুনরায় ট্রেন সার্ভিস চালুর কথা বলা হয়। ইতিমধ্যে দুদেশের মধ্যে তিনটি ট্রেন চলছে। কলকাতা এবংফ রাজশাহীর মধ্যে ফের ট্রেন চালু হলে তা হবে চতুর্থ আন্তঃদেশীয় ট্রেন। যা খুব শীঘ্রই নয়া এই ট্রেনের সূচনা হতে পারে। অন্যদিকে বাংলাদেশের ভূমি ব্যবহার করে কলকাতা থেকে সাত রাজ্যের ১২টি রুটে পণ্য ও যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল করবে।
বলে রাখা প্রয়োজন, বাংলাদেশের রেল লাইন ব্যবহার করা নিয়ে সে দেশের আধিকারিকদের সঙ্গে দীর্ঘ মাস ধরে আলোচনা করেছেন রেলের আধিকারিকরা। এমনকি কোন কোন রুট ব্যবহার হবে তা নিয়েও আলোচনা হয়। আর এরপরেই এই চুক্তি বাস্তবায়ন হল।












Click it and Unblock the Notifications