Lebanon Pager Blast: একের পর এক পেজার বিস্ফোরণ! পিছনে ভারতীয় বংশদ্ভুত রেনসন? কে এই ব্যক্তি?
Lebanon Pager Blast: লেবাননে একের এক পেজার বিস্ফোরণ। উত্তাল মধ্যপ্রাচ্য। ঘটনায় অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়। আহত কয়েকশ হিজবুল জঙ্গি। আর এই ঘটনায় ভারতীয় বংশদ্ভুত এক নরওয়ের নাগরিকের ভূমিকা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তার নাম রেনসন জোস (Rinson Jose) বলে জানা যাচ্ছে। কেরলের মানুষ হলেও দীর্ঘদিন নরওয়ে'তেই বসবাস। তবে গত ২০১৩ সালে শেষ বারের জন্যে ভারতে এসেছিল। আর এই ঘটনায় রেনসনের নাম জড়িয়ে যাওয়াউ রীতিমত অস্বস্তিতে আত্মীয়রা।
গত বুধবার একসঙ্গে লেবাননে কার্যত সিরিয়াল পেজার বিস্ফোরণের (Lebanon Pager Blast) ঘটনা ঘটে। যা গোটা বিশ্বকে চমকে দেয়। আর এরপরেই এওকাধিক সংস্থা এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, কীভাবে একসঙ্গে একই সময়ে পেজার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটল? হিজবুলের দাবি, পুরো প্রক্রিয়ার মধ্যে ইজরায়েল আছে। গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ এই কাজ ঘটিয়েছে। তবে এই ঘটনার তদন্তে রেনসন জোস (Rinson Jose) এর নাম সামনে আসছে।

জানা যায়, 'নর্টা গ্লোবাল লিমিটেড' (Norta Global Limited) নামে বুলগেরিয়ার এক সংস্থা পেজারগুলি (Lebanon Pager Blast) বিক্রি করেছিল। আর সেই সংস্থার কর্ণধার রেনসন। এমনটাই দাবি। শুধু তাই নয়, আরও একাধিক সংস্থার নাম সামনে আসছে। সামনে আসছে এক মহিলার নামও। যার সংস্থা থেকে পেজারগুলি লাইসেন্সড এবং ডিজাইন তৈরি হয়েছিল বলে খবর। ওই মহিলা একাধিক ভাষা বলতে পারে। ফলে তাঁর ভূমিকাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
কিন্তু কেন এই রেনসন জোস (Rinson Jose) ?
রেনসন জোস (Rinson Jose) এর পড়াশোনা ভারতেই। পুদুচেরি বিশ্ববিদ্যালয় (Pondicherry University) থেকে এমবিএ করেছেন জোস। International social welfare এ মাস্টার্স এবং Oslo Metropolitian বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও আরও হাইয়ার স্টাডি করেছেন রেনসন জোস (Rinson Jose)। ছোট বেলা থেকেই মেধাবি ছিল। আর সেই ছেলের যোগসাহস সামনে আসার পরেই কার্যত সম্ভবিত পরিবার।
রেনসন জোস (Rinson Jose) এর পরিবার কেরলের ওয়ানাড়ের বাসিন্দা। তাঁর এক আত্মীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নরওয়েতে বসবাস জোসের। গত কয়েকদিন আগেই কথা হয় ফোনে। কিন্তু কোনও সমস্যার কথা বলেনি। তবে রেনসন জোস (Rinson Jose) যে কোনও ভুল কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারে তা মানতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা।
তবে এই ঘটনার সামনে আসার পরেই কেরল পুলিশের তরফে যোগাযোগ করা হয় পরিবারের সঙ্গে। তবে পরিবারের কাছে রেনসনে'র কোম্পানি কিংবা আর্থিক লেনদেন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নেই। পুরো বিষয়টি স্থানীয় পুলিশের তরফে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।












Click it and Unblock the Notifications