পাকিস্তানে থেকে ফোকাস সরেছে চিনে! ভারতের পারমাণবিক মিসাইলের লক্ষ্যে এখন বেজিং
ঐতিহাসিক ভাবে ভারতের পারমাণবিক অস্ত্রের সাহায্যে কোনও হামার ফোকাসে থাকত পাকিস্তান। তবে গত কয়েক মাসে লাদাখে ভারত-চিন সংঘর্ষের পর থেকেই এই ফোকাস বদলে গিয়েছে। এখন ভারতের পরমাণবিক অস্ত্রগুলি ঘুরিয়ে তাক করা আছে বেজিংয়ের দিকে। ২০১৭ সালের ডোকলাম বিবাদের পর এমনটা প্রথমবার করা হল। সেই সময় ভুটান বর্ডারের দিকে ভারতের অস্ত্রগুলি তাক করা ছিল বিলে জানা যায়।

১০টি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র যোগ করে ভারত
গতবছরই ভারত নিজেদের অস্ত্র ভাণ্ডারে আরও ১০টি নতুন পারমাণবিক অস্ত্র যোগ করেছিল। বর্তমানে ভারতের ভাণ্ডারে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ১৫০। একদিকে লাদাখে চিনা আগ্রাসন, অন্যদিকে কাশ্মীর সীমান্তে পরপর পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন। এরই মাঝে ভারতের দুই প্রান্তেই অস্থির পরিস্থিতি।

কোন দেশের হাতে রয়েছে কটা মিসাইল?
বর্তমানে চিনের হাতে ৩২০ টি পরমাণু অস্ত্র রয়েছে। সেখানে পাকিস্তান এবং ভারতের ভাণ্ডারে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা যথাক্রমে ১৬০ এবং ১৫০টি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর পূর্ব লাদাখে ইতিমধ্যে চরম উত্তেজনার পরিস্থিতি চলছে বিগত একমাস ধরে। এরই মধ্যে পশ্চিমে কাশ্মীর সীমান্তে পরপর পাকিস্তানের সংঘর্ষবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন।

আধুনিকীকরণের পথে হেঁটেছে চিন
এর মাঝে নিজেদের পরমাণু অস্ত্রসম্ভারের 'উল্লেখ্যযোগ্য আধুনিকীকরণ' করছে চিন। নতুন স্থল এবং সমুদ্র-নির্ভর ক্ষেপণাস্ত্র এবং পরমাণুধর যুদ্ধবিমানের মাধ্যমে প্রথমবারের জন্য পরমাণু ত্রয়ী তৈরি করছে বেজিং। এদিকে ভারত এবং পাকিস্তান ধীরে ধীরে নিজেদের পরমাণু সম্ভারের আয়তন এবং বৈচিত্র বাড়াচ্ছে।

ভারত-চিন উত্তেজনা কমার কোনও নাম নেই
এদিকে লাদাখে ভারত-চিন উত্তেজনা কমার কোনও নাম নেই। এই আবহেই এবার ভারতীয় নৌসেনা উত্তেরের বেসগুলিতে মিগ ২৯ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করল। এছাড়া উত্তর লাদাখে ভারত পি৮আই এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন করেছে। এই যুদ্ধবিমানগুলি সাবমেরিন প্রতিহত করতে সমর্থ। আর তাই এই যুদ্ধবিমান মোতায়েনে প্রশ্ন উঠছে যে চিন কি তবে প্যাঙগং সোতে ফের নিজেদের কতৃত্ব বাড়িয়েছে! এছাড়া জানা গিয়েছে লাদাখের খুব কাছেই চিনের তরফে ৪০ হাজার সেনা মোতায়েন করা হয়েছে।

ভারতের সেনা মোতায়েন
প্রসঙ্গত, যুদ্ধ বা উত্তেজনার জল্পনা আরও উস্কে দিয়েছে ভারতীয় সেনার এক পদক্ষেপ। জানা গিয়েছে লাদাখে আরও অতিরিক্ত তিন ডিভিশন সেনা মোতায়েন করবে ভারত। যেখানে উত্তেজনা প্রশমনের জন্য সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া চলছিল, ঠিক তখনই সেনার এই সিদ্ধান্ত খুবই তাৎপর্যপূর্ণ। এছাড়া ভারতীয় নৌসেনাও তাদের বেশ কয়েকটি মিগ ২৯ উত্তর ভারতের ফরোয়ার্ড বেসগুলিতে স্থানান্তর করেছে বলে খবর মিলছে।












Click it and Unblock the Notifications