১০০০ কিলোমিটার পথ প্রসারিত হতেই বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মেট্রো নেটওয়ার্ক হয়ে উঠল ভারত
একটি বড় মাইলফলক হিসেবে, ভারতের মেট্রো নেটওয়ার্ক সম্প্রসারিত হয়ে বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম হয়ে উঠেছে, যার মোট দৈর্ঘ্য ১০০০ কিলোমিটার। এই সাফল্য শহুরে গতিশীলতা এবং সংযোগ বাড়াতে সরকারের প্রচেষ্টার বিষয়টিই গুরুত্ব দিয়ে বোঝায়। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে দিল্লির জন্য নতুন মেট্রো প্রকল্প এবং নমো ভারত উদ্যোগের ঘোষণার পর এই খেতাব পাওয়া সফল হয়েছে। ভারতের মেট্রো নেটওয়ার্কের যাত্রা, যা ২০০২ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ীর দিল্লিতে আধুনিক মেট্রো চালু করার মাধ্যমে শুরু হয়েছিল, এখন তা দেশব্যাপী মাইলফলকে পৌঁছেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বে বিশেষ করে ২০১৪ সাল থেকে এই পরিবর্তন ও সম্প্রসারণ অভূতপূর্ব।
গত এক দশকে, মেট্রো নেটওয়ার্ক তিনগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। এর দৈর্ঘ্যে অতিরিক্ত ১০০০ কিলোমিটার যুক্ত হয়েছে। মেট্রো পরিষেবা সহ রাজ্যের সংখ্যা ৫ থেকে ১১ হয়েছে। আবার মেট্রো সংযোগ থেকে উপকৃত শহরের সংখ্যা ৫ থেকে বেড়ে ২৩-এ উন্নীত হয়েছে৷

দৈনিক যাত্রীর সংখ্যাও তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৪ সালে ২৮ লাখ থেকে বেড়ে এক কোটির উপরে উঠেছে। আড়াই গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে এই যাত্রীর সংখ্যা। পাশাপাশি মেট্রো ট্রেনে ভ্রমণ করা মোট দূরত্ব তিনগুণ বেড়েছে। ৮৬ হাজার কিলোমিটার থেকে তা বেড়ে হয়েছে ২.৭৫ লক্ষ কিলোমিটার।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর দৃষ্টিভঙ্গির অধীনে, কেন্দ্র লক্ষ লক্ষ নাগরিকের জন্য ভ্রমণ সহজ এবং জীবনযাত্রার মান বাড়াতে আধুনিক শহুরে পরিবহণ প্রদানের জন্য এই লক্ষ্য পূরণ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদী রবিবার সকালে সাহিবাদ আরআরটিএস স্টেশন থেকে নিউ অশোক নগর আরআরটিএস স্টেশন পর্যন্ত নমো ভারত ট্রেনের যাত্রা শুরু করেন। ৪,৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত, এই করিডোরটি দিল্লি এবং মিরাটের মধ্যে আঞ্চলিক সংযোগকে উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত করবে বলেই আশা করছেন অনেকে।
নমো ভারত করিডোর ছাড়াও, প্রধানমন্ত্রী মোদী জনকপুরি এবং কৃষ্ণ পার্কের মধ্যে দিল্লি মেট্রো ফেজ-৪-এর ২.৮ কিলোমিটার প্রসারিত পথও উদ্বোধন করেন। ১২০০ কোটি টাকা খরচ করে এই পথ প্রসারিত করা হয়। এছাড়াও ৬,২৩০ কোটি টাকা ব্যয় করে নতুন করিডোর দিল্লির রিথালাকে হরিয়ানার নাথুপুর (কুন্ডলি) এর সাথে সংযুক্ত করেছে। সেই পথেরও রবিবার উদ্বোধন করেন মোদী।
মেট্রো নেটওয়ার্কের এই সম্প্রসারণ নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিশ্বমানের পরিবহন ব্যবস্থা তৈরিতে সরকারের মনোযোগের সাথে, ভারতে শহুরে গতিশীলতার ভবিষ্যত আশাব্যঞ্জক দেখছে অনেক বিশেষজ্ঞই।












Click it and Unblock the Notifications