দেশে ফুরোচ্ছে টিকার জোগান, কোভিড ১৯ যুদ্ধের অস্ত্র আমদানি বিদেশ থেকেই
দেশের সব নাগরিককে টিকার আওতায় আনতে বিদেশের সাহায্য নিতে পারে কেন্দ্র
দেশের সব নাগরিককে কোভিড ১৯ টিকাকরণের আওতায় আনতে চায় ভারত সরকার। কিন্তু কেবল দেশে তৈরি হওয়া টিকা দিয়ে যে সেই লক্ষ্যপূরণ করা সম্ভব, তা মেনে নিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক। কোনও রাখঢাক না করেই তাদের তরফে বিদেশ থেকে আরও কোভিড ১৯ টিকা আমদানির কথা জানানো হয়েছে। একমাত্র এভাবেই এ লড়াই জয় করা সম্ভব বলেও জানিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

ভারতে তৈরি দুটি করোনা ভাইরাসের টিকা বর্তমানে ব্যবহার করা হচ্ছে। ভারতের সিরাম ইনস্টিটিউটের কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিন ইতিমধ্যেই নিয়ে ফেলেছেন দেশের অসংখ্য মানুষ। চলতি মে মাসে দুই সংস্থার মোট ৭.৬২ কোটি টিকা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পৌঁছে গিয়েছে। সম্প্রতি রাশিয়া থেকে ভারতে আসা স্পুটনিক ভি টিকার প্রয়োগও শুরু করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। তা সত্ত্বেও টিকার ঘাটতি সামল দিতে যে কেন্দ্র হিমশিম খেলে হচ্ছে, তা কার্যত মেনে নিয়েছে দেশের স্বাস্থ্য দফতর।
শুক্রবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তরফে এক বিবৃতি দেওয়া হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে যে করোনা ভাইরাসের প্রভাব থেকে পুরোপুরি মুক্ত হতে দেশের প্রতি নাগরিককে টিকাকরণের আওতায় আনা প্রয়োজন। তবে তার জন্য ভারত সরকারের হাতে যে পর্যাপ্ত খোরাক নেই, পরোক্ষে তাও মেনে নিয়েছে দেশের স্বাস্থ্য দফতর। বক্তব্য, সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেকের তরফে পর্যাপ্ত টিকা সরবরাহ করা হয়েছে। ধীরে তাদের জোগানও ফুরোচ্ছে বলে জানানা হয়েছে।
স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে জৈবিক প্রক্রিয়ায় টিকা তৈরি করা হয়। কোভিড ১৯-এর টিকাও অনেক পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে তিল তিল করে তৈরি করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। ফলে রাতারাতি সিরাম ইনস্টিটিউট ও ভারত বায়োটেকের পক্ষে আরও টিকা তৈরি করাটা কঠিন হবে বলে বক্তব্য স্বাস্থ্য মন্ত্রকের। অগত্যা ঘাটতি পূরণে বিদেশ থেকে পিফিজার, মডেরনার মতো টিকা কেনা হবে বলে ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে।












Click it and Unblock the Notifications