৬ দশকে ভারতের অর্থনীতির সবচেয়ে খারাপ অবস্থা, প্রশ্নের মুখে নরেন্দ্র মোদী সরকার
দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশে পৌঁছে দেওয়ার মোদীর প্রতিশ্রুতি যে এখন প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয় সেটা ফাঁস হয়ে গিয়েছে।
দেশকে ৫ ট্রিলিয়ন অর্থনীতির দেশে পৌঁছে দেওয়ার নরেন্দ্র মোদীর প্রতিশ্রুতি যে এখন প্রহসন ছাড়া আর কিছুই নয় সেটা ফাঁস হয়ে গিয়েছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের প্রকাশিত তথ্যে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে মোদীর জমানায় দেশের অর্থনীতি কোন তলানিতে এসে ঠেকেছে। রিজার্ভ ব্যাঙ্কের সম্প্রতি প্রকাশিত তথ্যে প্রকাশ্যে এসেছে গত দুবছরে দেশের প্রায় সব ব্যাঙ্কের আর্থিক বৃদ্ধি কমেছে। সেই হ্রাসের পরিমাণ মারাত্মক রকমের কম।

ব্যাঙ্কের অবস্থা সংকটজনক
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দেশের অর্থনীতি মন্দার দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছে। তাতে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ব্যাঙ্কগুলিতে। একাধিক ব্যাঙ্কে অনাদায়ী ঋণের বোঝা বেড়েছে। মূলধনের ঘাটতি দেখা দিয়েছে তাতে। ব্যাঙ্কিং সেক্টরে লেনদেনেও ঘাটতি দেখা দিয়েেছ। সম্প্রতি রিজার্ভ ব্যাঙ্ক যে তথ্য প্রকাশ করেছে তাতে দেশের ব্যাঙ্কিং সেক্টরের অবস্থা যে অত্যন্ত খারাপ তা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। ব্যাঙ্কের উপর ঋণের বোঝা চেপেছে প্রায় ৮.৮ শতাংশ। যা ভয়ঙ্কর রকমের বেশি বলে দাবি করেছেন অর্থনীতিবিদরা।

বাড়ছে অনাদায়ী ঋণের বোঝা
সরকারি, বেসরকারি একাধিক ব্যাঙ্কের ঋণের বোঝা প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে। সম্প্রতি যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা গিয়েছে বিজয় মালিয়া, নিরব মোদীদের অনাদায়ী ঋণ ফেরানো তো দূরের কথা এখনও একাধিক ব্যাঙ্কে প্রায় ৩৭,০০০ কোটি টাকা অনাদায়ী ঋণ জমে গিয়েছে। এদাধিক ব্যাঙ্কে ঋণগ্রহীতারা ঋণ শোধ করতে দেরি করছেন এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

রেপোরেট কমিয়েও পরিস্থিতি ঠিক হচ্ছে না
ব্যাঙ্কগুলির হাল ফেরাতে প্রায় ৫ বার রেপোরেট কমিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্ক। তারপরেও অবস্থার কোনও পরিবর্তন চোখে পড়ছে না। এর জেরে ব্যাঙ্ক গুলির মূল ধনেও ঘাটতি দেখা দিয়েছে। এদিকে মোদী সরকার এই পরিস্থিতির জন্য মনমোহন জমানাকেই দায়ী করেছেন।
অর্থনৈতিক দূরবস্থাকে হাতিয়ার করে এখন সম্মুখ সমরে নেমেছে শাসক বিরোধী দুই পক্ষ। প্রকাশ্যে চলেছে বাদানুবাদ। তবে এই চরম আর্থিক পরিস্থিতি যে গত ৬ দশকে কখনও তৈরি হয়নি তা স্বীকার করে নিয়েছে রিজার্ভ ব্যাঙ্কও।












Click it and Unblock the Notifications