কাশ্মীরে স্কুল লক্ষ্য করে পাক গোলাগুলি, রুখে দাঁড়াল ভারতীয় সেনা! পড়ুয়াদের উদ্ধারের ভিডিও ভাইরাল
বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুঁড়তে শুরু করেছে পাকিস্তান। এই অবস্থায় গোলাগুলির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল কাশ্মীরের জনা ২০ পড়ুয়া। তাদের উদ্ধার করল ভারতীয় সেনারা।
কাশ্মীর নিয়ে চূড়ান্ত হতাশ পাকিস্তান। ৩৭০ ধারা বিলোপের পর ভারত সরকারকে হেয় করতে আন্তর্জাতিক দরবারে পর্যন্ত ছুটেছে পাকিস্তান। ব্যর্থ হয়ে বিনা প্ররোচনায় গোলাগুলি ছুঁড়তে শুরু করেছে পাকিস্তান। এই অবস্থায় গোলাগুলির মধ্যে পড়ে গিয়েছিল কাশ্মীরের জনা ২০ পড়ুয়া। তাদের উদ্ধার করল ভারতীয় সেনারা।

হাড়হিম করা অবস্থায় কাশ্মীরের পড়ুয়াদের উদ্ধারের ওই ভিডিও নেদ দুনিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল হয়ে যায়। ভারতীয় সেনার প্রশ্সা ছড়িয়ে পড়ে প্রতিটি বার্তায়। ইমরান খান সরকারের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে। এমনকী নিজের দেশেও বিব্রত হতে হচ্ছে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে।
শনিবার জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চের বালাকোট ও মেন্দর সেক্টরে অস্ত্রবিরতি লঙ্ঘন করে পাকিস্তানি সেনা। ভারতের সীমান্ত লক্ষ্য করে ছুটে আসে অজস্র গোলাগুলি। স্কুল লক্ষ্য করেও গুলি চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভারতও পাল্টা দিতে শুরু করে। তখনই ভারতীয় সেনা বুঝতে পারে স্কুল লক্ষ্য করে গুলি চালানোয় বহু পড়ুয়া আটকে পড়েছে।
#WATCH Poonch: Indian Army rescues children from Government school in Sandote village at Balakote sector of Mendhar Tehsil as cross-border firing starts from Pakistan. Indian Army rescued children from 2 other schools in Balakote and Behrote village. #JammuAndKashmir pic.twitter.com/qnSRlqzEiI
— ANI (@ANI) September 14, 2019
তখনই ভারতীয় সেনার পক্ষ থেকে ২০ জন শিশু পড়ুয়াকে উদ্ধার করে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এবং তাদের বাড়ি পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয় সেনার তরফে। তবে শিশুদের কোনও আঘাত লাগেনি। তারা সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে। সেনা বুলেটপ্রুফ গাড়িতে করে তাদের নিরাপদ স্থানে পৌঁছে দিয়েছে। তারপর বাড়িও।
এদিকে পাকিস্তানের ছোঁড়া গোলাগুলিতে সীমান্ত লাগোয়া দুটি বাড়ি ও দুটি গাড়ির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ভারতের বিরুদ্ধে সমস্ত পদক্ষেপে ব্যর্থ হয়ে ইমরান সরকার সীমান্তে অশান্তি ও হিংসা ছড়ানোর চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ। পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী এজাজ আহমেদও পরোক্ষে স্বীকার করে নিয়েছেন সেই সত্য। তিনি বলেন, পাকিস্তান আন্তর্জাতিক মহলে ধাক্কা খেয়েছে, তার জন্য দায়ী দেশের ভাবমূর্তি। পাকিস্তানকে আত্মমন্থন করা উচিত বলে তিনি মনে করেন।

একদিন আগেই পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দাঁড়িয়ে উসকানিমূলক মন্তব্য করেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। সরাসরি ভারতের দিকে আঙুল তুলে জিহাদের ডাক দেন তিনি। জম্মু-কাশ্মীরের মানুষকে উস্কানি দিয়ে তাঁর বক্তব্য, এবার বন্দুক হাতে তুলে নেওয়ার সময় এসেছে। কারণ কাশ্মীরকে মানবতা দিয়ে বিচার করা উচিত। কিন্তু ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সেই মানবতাবোধ নেই। তাই তিনি তা করেননি। তিনি যা করেছেন, তা কাপুরুষোচিত। তাঁর জন্যই ৪০ দিন ধরে থমকে রয়েছে কাশ্মীর।












Click it and Unblock the Notifications