অন্ধকারেও চিনের দখলদারি রুখতে প্রস্তুত ভারত! লাদাখে আসছে নয়া যুদ্ধযান, তৈরি সেনা
বিস্তারবাদের মানসিকতায় বুঁদ চিন। লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর ফের উত্তেজনা। চিনা সেনার তরফে এক বিবৃতি জারি করে অভিযোগ করা হয়েছে, ভারতীয় সেনা প্ররোচনা দিতে গুলি চালিয়েছে। যা 'অনভিপ্রেত' বলে মনে করছে পিপলস লিবারেশন আর্মি। পাশাপাশি তাদের দাবি অবৈধভাবে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পার করেছে ভারতীয় সেনা। চিনের অভিযোগ অস্বীকার করেছে ভারত। সূত্রের খবর গতরাতে চিন ফের স্থিতাবস্থা বদলের চেষ্টা করে লাদাখ সীমান্তে।

লাদাখে নিজেদের জমি আরও শক্ত করছে ভারত
আর এহেন পরিস্থিতিতেই এবার লাদাখে নিজেদের জমি আরও শক্ত করতে নাইট ভিশন রয়েছে এরকম যুদ্ধকালীন যান লাদাখে নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি করছে। জানা গিয়েছে পুরোনো রাশিয়ান বিএমপি যানগুলিকে আপগ্রেড করবে ভারত। সেই যানে অ্যান্টি ট্যাঙ্ক মিসাইল সিস্টেম ছাড়াও তোপ এবং মেশিন গান রয়েছে। তবে বর্তমানে রাতের সময় এই যান অকেজো।

যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করছে চিনা সেনা
শান্তির পথে না হেঁটে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি করছে চিনা সেনা। লাদাখের প্যাংগং সংলগ্ন চুশুল সেক্টরে পদাতিক সৈন্য ছাড়াও প্যাংগং এলাকায় চিনের পক্ষ থেকে ট্যাঙ্ক আনা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তাছাড়া চিনা আর্টিলারিও প্যাংগংয়ের দিকে তাক করে দাঁড়িয়ে বলে জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে চিনের ট্যাঙ্ক বাহিনী মালডোর খুব কাছেই অবস্থান করছে। তাছাড়া এলএসি থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরেই দাঁড়িয়ে চিনা আর্টিলারি গান।

চিনা আগ্রাসনের মোক্ষম জবাব
চিনা আগ্রাসনের মোক্ষম জবাব দিয়ে দক্ষিণ প্যাংগং এলাকায় নিজেদের পায়ের তলার জমি শক্ত করেছিল ভারতীয় সেনা। জানা গিয়েছে লাদাখের প্যাংগং এলাকায় চিনের পক্ষ থেকে সেনা সম্ভার ও অস্ত্রসস্ত্র বাড়ানো হয়েছে। যার জেরে সেই এলাকায় যুদ্ধের পরিস্থিতি আরও ঘনিয়ে এল। এদিকে চিন ১০ হাজারের বেশি সেনা মোতায়েন করেছে চুশুলে।

ট্যাঙ্ক মোতায়েন দুই দেশেরই
লাদাখের খুব কাছেই চিন আরও ৫০০০০ সেনা মোতায়েন করে রেখেছে। তাছাড়া টি ১৫ ট্যাঙ্কও মোতায়েন করেছে চিন। এর পাল্টা জবাব হিসাবে ভারতও ১২টি ট্যাঙ্ক সেখানকার সীমান্ত রক্ষার লক্ষ্যে মোতায়েন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এছাড়া ৪০০০ জন সৈনিকের একটি আস্ত ব্রিগেডও ডিবিওতে মোতায়েন করেছে ভারত। তাছাড়া ভারতীয় নৌসেনা উত্তেরের বেসগুলিতে মিগ ২৯ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে। উত্তর লাদাখে ভারত পি৮আই এয়ারক্রাফ্ট মোতায়েন করেছে। এই যুদ্ধবিমানগুলি সাবমেরিন প্রতিহত করতে সমর্থ।

দুই দেশের যুদ্ধবিমানকেই চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছে
এদিকে লাদাখ সীমান্তে দুই দেশের যুদ্ধবিমানকেই চক্কর কাটতে দেখা গিয়েছে। এছাড়া এলএসির কাছেই একটি স্ট্যাটেলাইট চিত্রে দেখা গেছে, হোতান বিমানঘাঁটিতে প্রচুর জে-২০ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে চিন। এই বিমানঘাঁটিটি ভারত-চিনের লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোলের সবথেকে কাছে অবস্থিত। মাত্র ১৩০ কিলোমিটার দূরত্বে।

মোতায়েন রয়েছে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান ও সরঞ্জাম
পিএলএ-র ওয়েস্টার্ন থিয়েটার কমান্ডের তরফে জানানো হয়েছে, ওই বিমানঘাঁটিতে আগেই জে-১০ ও জে-১১ যুদ্ধবিমান মোতায়েন ছিল। এবার সেখানে জে-৮ ও জে ১৬ ও মোতায়েন করা হল। এর পরেই ভারতও লেহ এয়ারপোর্টে সুখোই-৩০, মিগ-২৯কে, সি১৭, পি৮ যুদ্ধবিমান মোতায়েন করে।












Click it and Unblock the Notifications